হায়দার রিজভী: চলচ্চিত্রধর্মে বিশ্বাসী একজন তরুণ

82
হায়দার রিজভী

লিখেছেন: বেলায়াত হোসেন মামুন

২০১০ সালের অক্টোবর বা নভেম্বর মাসের একদিন; চলচ্চিত্র নির্মাতা রাজীবুল হোসেন আমাকে বললেন, ‘চলেন আপনার সাথে একজনকে পরিচয় করিয়ে দেব। ভদ্রলোক দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন। এখন দেশে এসেছেন। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চলচ্চিত্র বিষয়ে শিক্ষকতা করছেন।’ রাজীবুল হোসেন সবই বললেন তখন, কেবল নামটি বললেন না!

যাহোক, আমরা শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনের ক্যান্টিনে অপেক্ষা করছিলাম। এমন সময় একজন মানুষ ভীষণ তারুণ্যদীপ্ত ভঙ্গিতে এগিয়ে এলেন। রাজীবুল হোসেন আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন যে তিনি ‘হায়দার রিজভী’! তিনি পোলান্ডে চলচ্চিত্র বিষয়ে অধ্যয়ন করেছেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন এবং পড়িয়েছেন বহু চলচ্চিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এই পরিচয় পর্বে এসব শুনতে শুনতে আমার চট করে মনে পড়ে গেল চলচ্চিত্রকার বাদল রহমানের কথা। বাদল ভাই বিভিন্ন আড্ডায় আলোচনায় মাঝে মাঝে একজন হায়দার রিজভীর কথা স্মরণ করতেন; বলতেন, হায়দার রিজভী ভীষণ প্রতিভাবান মানুষ। যে হায়দার রিজভী গত শতাব্দীর ষাটের দশকের শেষ পর্বে পাকিস্তান টেলিভিশনের প্রডিউসার ছিলেন, একাত্তরের অগ্নিঝরা মার্চের ২২ তারিখে রাতে অধিবেশন শেষে ২৩ তারিখ ‘পাকিস্তান দিবস’ উপলক্ষে পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত ও পতাকা না দেখানোর জন্য পরিকল্পিতভাবে ২২ মার্চ রাতের অনুষ্ঠান টেনে নিয়ে গিয়েছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরিরত অবস্থায় এই অসম সাহসী কাজের নেতৃত্বে ছিলেন শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এবং সাথে ছিলেন হায়দার রিজভী, বাদল রহমানসহ আরও কয়েকজন।

বেলায়াত হোসেন মামুন হায়দার রিজভী

বাদল ভাই বলতেন, তাঁর এই বন্ধু হায়দার রিজভী দেশ স্বাধীন হওয়ার পর চলচ্চিত্রে উচ্চতর অধ্যয়ন করতে পোল্যান্ডে গিয়ে আর দেশে ফিরে আসেননি। যদি আসতেন, তাহলে এখানে কিছু ভালো চলচ্চিত্র হতো। এমন আক্ষেপ বেশ কয়েকবার আমি বাদল ভাইয়ের মুখে শুনেছি। তো, আমি তখন সদ্যপরিচিত ‘হায়দার রিজভী’ ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আমি প্রায়ই আমাদের শ্রদ্ধেয় বাদল রহমানের মুখে তাঁর একজন প্রতিভাবান বন্ধু হায়দার রিজভীর কথা শুনতাম, তিনি কী আপনি?’


‘দেশে
এসেও যে
খুব বেশি কিছু
করতে পারতাম,
তা নয়’

মনে আছে, রিজভী ভাই এ কথা শুনে সেদিন অনেক হাসলেন এবং গম্ভীর হলেন। সম্ভবত বাদল ভাইকে স্মরণ করে বিষণ্নতাবোধ করলেন। কারণ তখন মাত্র কিছুদিন আগে ২০১০ সালের জুন মাসে বাদল রহমান প্রয়াত হয়েছেন। কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, ‘আমি দেশে তখন ফিরে না এসে খুব যে ভুল করেছি, তা আমার মনে হয় না। দেশে এসেও যে খুব বেশি কিছু করতে পারতাম, তা নয়। দেশের সে অবস্থাই তখন ছিল না।’

আমি এ কথার কোনো উত্তর দিতে পারিনি। পারার কারণও নেই। কারণ গত শতাব্দীর সত্তরের শেষ থেকে আশির দশকজুড়ে দেশের যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ছিল, তাতে খুব বেশি কিছু করার আসলেও কিছু ছিল না। এরপর আমরা আমাদের পরিচয়পর্ব দীর্ঘায়িত করলাম। আড্ডা দিলাম। কফি খেলাম। হায়দার ভাইয়ের অনেক স্মৃতির আলাপের শ্রোতা হলাম। তিনি আমাদের কাজ, সাংগঠনিক তৎপরতার কথা জানলেন। বললেন, ঢাকায় এসে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ম্যুভিয়ানার নাম শুনেছেন। আমাদের ‘বাহবা’ দিলেন। উৎসাহ দিলেন যেন কাজ করতে থাকি। এমন এক উজ্জ্বল আড্ডায় আমাদের সেদিনের বৈঠক শেষ হলো।

আসলে আমাদের পরিচয় এবং স্নেহ-ভালোবাসার সম্পর্কের সেদিন সূত্রপাত হলো। এরপর আজকের দিন পর্যন্ত আমরা চলচ্চিত্র শিক্ষক, চলচ্চিত্রকার হায়দার রিজভীকে অনেকভাবে আবিষ্কার করতে পেরেছি। পেরেছি অনুভব করতে ওনার চলচ্চিত্রপ্রেম, এবং ওনার চলচ্চিত্র প্রেমের উত্তাপের আঁচ নিতে সক্ষম হয়েছি।

হায়দার ভাই একজন তরুণপ্রাণ মানুষ। প্রবলভাবে উৎসাহী, আন্তরিক এবং প্রাণবন্ত। বাঙালির অনেক বাজে স্বভাব আছে। দীর্ঘদিন প্রবাসে বসবাস অথবা চলচ্চিত্রচিন্তা ও রুচির উৎকর্ষতার চাষবাসে হায়দার ভাই বাঙালির সকল বাজে স্বভাবের দায় থেকে মুক্ত। হায়দার ভাই আমাদের অনেক বড় ভাইদেরও বড় ভাই, জেষ্ঠ্যতার বিচারে তিনি মুরুব্বি। কিন্তু আমাদের সাথে এমন হইচই করে মেশেন যেন তিনি আমাদের বন্ধু, আমাদের বয়সী একজন সহযোদ্ধা। হায়দার ভাইকে কখনো মুরুব্বিয়ানার ‘ভাবে’ আচ্ছন্ন হতে দেখিনি। এ এক অসাধারণ ব্যাপার। এমন তরুণপ্রাণ জেষ্ঠ্য সহযোদ্ধা আমাদের মাঝে আর তেমন একটা নেই। এ মুহূর্তে তিনি ছাড়া আপাতত আর কাউকে দেখছি না; যাঁকে ধুম করে বন্ধু ভাবা যায়!

কিছুদিন আগে আমাদের একটি কর্মশালায় হায়দার ভাই শিক্ষক হিসেবে ক্লাসে পাঠদান করছিলেন। আমি হায়দার ভাইয়ের আলোচনার মগ্নতায় অবাক হয়েছিলাম। বিস্মিত হয়েছিলাম তাঁর কিছু কথা শুনে। কথাগুলো আমারও কথা। আমিও বিভিন্ন পরিসরে এমন ভাবনাই প্রকাশ করি। হয়তো করেন আরও অনেকে। কে জানে! কিন্তু সেদিন হায়দার ভাইয়ের আলোচনা শুনে, আলোচনার সিরিয়াসনেস দেখে অনুভব করেছি হায়দার ভাই চলচ্চিত্রকে শুধু ভালোবেসেছেন তা নয়, হায়দার ভাই চলচ্চিত্রকে ‘ধর্ম’ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এ এক আশ্চর্য্য ব্যাপার। কথার কথা নয়। হায়দার ভাই সেদিন বলছিলেন, ‘চলচ্চিত্র আমার কাছে ধর্ম। আর চলচ্চিত্র দেখা আমার কাছে আরাধনা।’

কোনো সন্দেহ নেই, কথার কথা হিসেবে কথাগুলো আকর্ষণীয়। কিন্তু কার্যত ব্যক্তির নিজস্ব জীবনাদর্শে শিল্পকে সবচেয়ে গুরুত্বের স্থানে দেখতে পারা সহজ ব্যাপার নয়। কথায় এবং কাজে, জীবনাচরণে নিজস্ব জীবনাদর্শের প্রকাশে হায়দার ভাই সত্যিকার অর্থেই চলচ্চিত্রধর্মে আস্থাশীল মানুষ। এমন সংস্কারমুক্ত, আধুনিক মননের রুচিশীল মানুষ আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গনে কমই আছেন।

চলচ্চিত্রশিক্ষার একজন শিক্ষক হিসেবে হায়দার ভাই পুঁথিপাঠের শিক্ষক নন। তিনি চলচ্চিত্রকে যেভাবে অনুভব করেন, সেভাবে অনুভব করাতে চান নবাগত চলচ্চিত্র-অনুরাগীদের। পুঁথিপাঠের চর্বিতচর্বন বিদ্যার শিক্ষকদের সাথে হায়দার ভাইয়ের পার্থক্য হলো, তিনি ক্লাসে কেবল তথ্যের ফুলজুরি ছড়ান না; তিনি শিক্ষার্থীদের চলচ্চিত্রের রূপ-রস-ঘ্রাণের সন্ধান দিতে চান। যা চলচ্চিত্রচিন্তার বীজ হয়ে শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে রোপিত হয়। আমি এমনতর শিক্ষাকেই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি।


এ অমূল্য জ্ঞানবীজ আমরা
গ্রহণে কতটা উৎসাহী,
তা আমি
জানি
না

অন্যথায় আজ এমন কোন তথ্যটি মানুষের নাগালের বাইরে যা সহজে পাওয়া যায় না? তাই ক্লাসে আজ যদি কেবল তথ্যই দিতে হয়, তবে পাঠদানের আর কোনো অর্থই থাকে না। হায়দার রিজভীর জীবনব্যাপী চলচ্চিত্রধর্মের যে সাধনা তাঁর ভেতর থেকে তিনি যা কিছু নির্যাস আহরণ করেছেন, তাই দিতে চান আমাদের। এ অমূল্য জ্ঞানবীজ আমরা গ্রহণে কতটা উৎসাহী, তা আমি জানি না। তবে ব্যক্তিগতভাবে আমি যখনই সুযোগ পাই, হায়দার ভাইয়ের সাথে আলাপে আড্ডায় সমৃদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করি। আর আড্ডা বা আলাপে হায়দার ভাই প্রাণবন্তভাবে খুলে বসেন তাঁর জীবনের অভিজ্ঞতার সম্ভার। যা কেবল অমূল্য নয়, দুর্লভও বটে।

চলচ্চিত্র শিক্ষক হায়দার রিজভীকে যারা জানেন না, তাদের জন্য হায়দার রিজভী একটু দূরেরও মানুষ। কারণ সর্বসাধারণে তাঁকে চেনানো একটু মুশকিল। তিনি আমাদের তথাকথিত সেলিব্রিটি নন। কিন্তু আমার মতে চলচ্চিত্র শিক্ষার প্রশ্নে তিনি আমাদের জন্য অনেক বড় ‘সেলিব্রিটি’।

চলচ্চিত্রকার হায়দার রিজভীকেও আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গনের বহুমানুষ জানেন না। কারণ তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র অনেকেই দেখেননি। বলা ভালো, ঢাকার বা দেশের অধিকাংশ মানুষই ওনার নির্মিত চলচ্চিত্র বিষয়ে অজ্ঞান। তিনি ইউরোপে বসবাসকালে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মাণ করেছেন, সেইসব চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী খুব একটা হয়নি ঢাকায়। ফিল্ম ফরম্যাটে নির্মিত সেইসব ছবির প্রিন্ট হায়দার ভাইয়ের কাছে এখনাে আছে কি না, তা জানতে হবে। যদি থাকে, তবে সেসব ছবির একটি অধিবেশন ঢাকায় আয়োজিত হতে পারে। এ ধরনের আয়োজন নিয়মিত হওয়া দরকারও। কাজটি হতে পারে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের একটি নিয়মিত কর্মসূচি। তারা খুঁজে খুঁজে আমাদের বরেণ্য চলচ্চিত্রজনদের সকল চলচ্চিত্রের রেট্রোস্পেকটিভ আয়োজন করতে পারে। কিন্তু আফসোস, এখনো তারা তেমন আয়োজন করেছে, এমন কোনো নজির নেই।

চলচ্চিত্র শিক্ষক হায়দার ভাইয়ের সাথে আমাদের সম্পর্ক অতি নিকটবর্তী। আর তা ইতোমধ্যে এক যুগের অধিককাল ধরে চলমান রয়েছে। চলচ্চিত্র শিক্ষক ও সংগঠকের দায় হিসেবে যখনই কোনো কাজে হায়দার ভাইয়ের দ্বারস্থ হয়েছি, তখনই হায়দার ভাই সে কাজে যে উদ্যম এবং উৎসাহ নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন, তা সত্তরোর্ধ্ব কোনো জ্যেষ্ঠ নাগরিকের কাছে অতিদূর প্রত্যাশার বিষয়। কিন্তু বিগত বছরগুলোতে এবং আজো হায়দার ভাই প্রবল উদ্যমে আমাদের সব কাজে হাজির হয়েছেন। উপস্থিত থেকেছেন এবং সব রকম পরামর্শ দিয়েছেন।

হায়দার ভাইকে সময় ধরে সব কাজ যথাসময়ে নিখুঁতভাবে করতে দেখেছি। এই সময়ানুবর্তিতা আমাদের আজ আর নেই। যে ঢাকা শহরের দোহাই দিয়ে আমরা পাঁচটার অনুষ্ঠান ছয়টায় শুরু করি, সেই ঢাকা শহরেই হায়দার ভাইকে কখনো বিলম্বে কোথাও পৌঁছাতে দেখিনি। হায়দার ভাই এখনো যেন ততটুকুই তরুণ, যতটুকু তরুণ তারুণ্যে হওয়া যায়!

আর একটি বিষয়ে বলে আপাতত আজকে হায়দার ভাইকে নিয়ে কথায় দাঁড়ি টানব। আপনারা অনেকেই জানেন, আমরা বহুদিন ধরে দেশে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার দাবিতে একটি আন্দোলন করছি। এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে আমরা বহু সভা, সেমিনার, জাতীয় চলচ্চিত্র সভারও আয়োজন করেছি। আমরা জাতীয় চলচ্চিত্র কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত ১৫ বছরে একাধিক তথ্যমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান করেছি। কিন্তু সরকারের দিক থেকে ইতিবাচক কোনো চেষ্টা কখনো দেখতে পাই নি। এ কারণে আমরা ২০১৯ সালের ৩ এপ্রিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় চলচ্চিত্র কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেছিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদানের এই উদ্যোগে হায়দার ভাই আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, আমাদের এই দাবি নিয়ে তিনি ব্যক্তিগতভাবেও অনেক সিরিয়াস এবং তৎপর ছিলেন এবং আছেন। যা আমাদের জন্য অনেক উৎসাহের এবং সাহসের। আমাদের অগ্রজদের মাঝে এমন কয়েকজন মানুষ আছেন, যারা চলচ্চিত্রচিন্তা ও রুচিতে এমনই পরিশীলিত, এমনই সমৃদ্ধ যে তাদের নিয়ে আমাদের গর্ব হয়।

এই অসামাণ্য তরুণ মানুষটি ৭৪তম জয়ন্তী অতিক্রম করে ৭৫-এ পা রেখেছেন। আমার কেবলই মনে হয়, হায়দার ভাই হয়তো ওনার ৭৫তম জন্মদিনে ১৮-তে পা ফেলবেন। কারণ গত বছর ৭৪-এ তিনি ১৭তে পা রেখেছিলেন। বয়স কেবল একটি সংখ্যা হয়ে হায়দার ভাইকে নিয়ে ১৭ থেকে ১৮ এবং ১৮ থেকে ১৭-তে এক্কাদোক্কা খেলবে।

আমি হায়দার ভাইয়ের এই তারুণ্যময় জীবনের জন্য অশেষ শুভ কামনা এবং অনেক অনেক ভালোবাসা জানাই!

Print Friendly, PDF & Email
লেখক; চলচ্চিত্র নির্মাতা; চলচ্চিত্র সংগঠক। ঢাকা, বাংলাদেশ। সাধারণ সম্পাদক, ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব বাংলাদেশ। সভাপতি, ম্যুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটি। নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র : অনিবার্য [ পোশাক শ্রমিক আন্দোলন; ২০১১]; পথিকৃৎ [চলচ্চিত্রকার বাদল রহমানের জীবন ও কর্মভিত্তিক; ২০১২ (যৌথ নির্মাণ)]; সময়ের মুখ [জাতীয় অধ্যাপক মুস্তাফা নূরউল ইসলামের জীবন অবলম্বনে; ২০১৮]। সম্পাদিত ফিল্ম-ম্যাগাজিন : ম্যুভিয়ানা; চিত্ররূপ। সিনে-গ্রান্থ : চলচ্চিত্রপাঠ [সম্পাদনা]; চলচ্চিত্রের সাথে বোঝাপড়া; স্বাধীন চলচ্চিত্র আন্দোলনের ইশতেহার : বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ; চলচ্চিত্রকথা [তারেক মাসুদের বক্তৃতা ও সাক্ষাৎকার; সম্পাদনা]। পরিকল্পক ও উৎসব পরিচালক : নতুন চলচ্চিত্র নতুন নির্মাতা চলচ্চিত্র উৎসব