ফিল্মমেকার রোমান পোলান্সকির সাক্ষাৎকার । এ জীবনের যত ট্র্যাজেডি [কিস্তি : ১/৩]

2
580

সাক্ষাৎকার গ্রহণ । ফিলিপ এহেমকেমার্টিন ভলফ ।। অনুবাদ । রুদ্র আরিফ

রোমান পোলান্সকি। জন্ম : ১৮ আগস্ট ১৯৩৩; প্যারিস, ফ্রান্স। পাম দি’অরঅস্কারজয়ী কিংবদন্তি পোলিশ ফিল্মমেকার। রিপালশন; রোজমেরি’স বেবি; চায়নাটাউন; টেস; বিটার মুন; দ্য পিয়ানিস্ট; অলিভার টুইস্ট; দ্য গোস্ট রাইটার; ভেনাস ইন ফিউর প্রভৃতি সিনেমার নির্মাতা, সিনেবিশ্বের এই মহান সিনিয়র সিটিজেনের জীবনের নানা ট্র্যাজেডির ওপর এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জার্মান ম্যাগাজিন স্পিগেল-এর দুই প্রতিনিধি। সাক্ষাৎকারটির তিন কিস্তির প্রথম কিস্তি হাজির করা হলো এখানে…

ভেনাস ইন ফিউর-এর শুটিংয়ে স্ত্রী ও অভিনেত্রী ইমানুয়েল এবং অভিনেতা ম্যাথু আমালরিককে দৃশ্য বুঝিয়ে দিচ্ছেন পোলান্সকি [বাঁয়ে]

সা ক্ষা কা র 

স্পিগেল : মিস্টার পোলান্সকি, আপনার নতুন ফিল্মটিতে [ভেনাস ইন ফিউর; ২০১৩] আপনার স্ত্রী ইমানুয়েল সিগন্যিকে [১৯৬৬-; ফরাসি অভিনেত্রী] যথেষ্ট সেক্সি ও সিডাকটিভ লেগেছে।

রোমান পোলান্সকি : এ জন্য আমি গর্বিত!

স্পিগেল : আপনি যেহেতু কেন্দ্রীয় নারীচরিত্রের অভিনেত্রীটির স্বামী, ফলে আপনার পক্ষে ফিল্মমেকার হিসেবে কতটুকু নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব ছিল?

পোলান্সকি : দেখুন, আমরা প্রায় পঁচিশ বছর ধরে একসঙ্গে থাকছি। এরই মধ্যে একসঙ্গে কয়েকটি সিনেমাও করে ফেলেছি। ব্যক্তিগতভাবে কোনো সম্পর্কে রয়েছেন– এমন কাউকে নিয়ে যখন কাজ করবেন, তখন তার প্রতি আপনাকে অপেক্ষাকৃত অধিক কঠোর ও অনমনীয় হতে হবে। ফিল্মের শুটিংয়ের সময় দুভার্গ্যজনকভাবে আমি আমার স্ত্রীর জন্য কোনো বিশেষ সুবিধার ব্যবস্থা রাখি না।

স্পিগেল : ফিল্মটি একজন অভিনেত্রী ও এক ফিল্মমেকারের মধ্যকার নানা সম্পর্ক ফুটিয়ে তুলেছে। এই পরিস্থিতির সঙ্গে কি আপনারাও পরিচিত?

পোলান্সকি : এই ফিল্মটি আমাদের দুজনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থেকে আবির্ভূত হয়নি। এটি বরং একটি স্যাটায়ার। এটি পরিহাস ও তীব্র ব্যঙ্গপূর্ণ। সত্যি কথা বলতে, শুটিংয়ের সময় আমরা দুজন প্রচুর হাসাহাসি করেছি।

স্পিগেল : ভেনাস ইন ফিউর-এ অভিনেত্রী চরিত্রটি ফিল্মমেকার চরিত্রকে বলে : ‘তুমি তো ডিরেক্টর। অভিনেতাদের টর্চার করাই তোমার কাজ।’ এটি কি কোনোভাবে ফিল্মমেকার পোলান্সকিরই বয়ান?

পোলান্সকি : অভিনেতাদের নানা সময়ে আমি নিশ্চিতভাবেই যন্ত্রণা দিয়েছি; তবে নিঃসন্দেহে তা ইচ্ছেকৃত কিছু নয়। কিন্তু কখনো কখনো অভিনেতারা তাদের চরিত্রটি মেনে নিতে ঝামেলা পাকান; বিশেষ করে পুরুষ অভিনেতারা। পুরুষরা অন্যের নির্দেশ মেনে নিতে আসলে পছন্দ করেন না। তবে নারীদের ডিরেকশন দিতে কোনো সমস্যা হয় না।

রিপালশন-এ শুটিংয়ে, ক্যাথরিন দানুয়্যেভের সঙ্গে পোলান্সকি

স্পিগেল : পুরুষেরা সবাই চায় লিডার হতে।

পোলান্সকি : আমি যা বলতে চেয়েছি, আপনি বুঝতে পেরেছেন। এ কারণেই নারীদের সঙ্গে থাকলেই আমি ভালো থাকি। এ বিষয়টি আমার দ্বিতীয় ফিল্ম রিপালশন-এর [১৯৬৫] সময়ই টের পেয়েছি– কেন্দ্রীয় চরিত্রে ক্যাথরিন দানুয়্যেভকে [১৯৪৩-; ফরাসি অভিনেত্রী] নিয়ে। তার সঙ্গে [শুটিংয়ের] সময়টা যেন ট্যাঙ্গো নেচেই কেটেছে আমার! রোজমেরি’স বেবিতে [১৯৬৮] মিয়া ফারোর [১৯৪৫-; আমেরিকান অভিনেত্রী] ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। তবে এরপর চায়নাটাউন-এ [১৯৭৪] ফায়ে ডানঅ্যাওয়েকে [১৯৪১-; আমেরিকান অভিনেত্রী] নিয়ে কাজ করতে গিয়ে ঝামেলায় পড়েছিলাম। তিনি এতই জটিলতা তৈরি করছিলেন যে, শুটিং প্রায় স্থগিত করে দিতে যাচ্ছিলাম আমি।

স্পিগেল : রোজমেরি’স বেবির শুটিংয়ের সময় তো মিয়া ফারো ছিলেন ফ্র্যাঙ্ক সিন্যাট্রার [১৯১৫-১৯৯৮; আমেরিকান মিউজিক্যাল আর্টিস্ট] স্ত্রী। আপনার সিনেমায় তার স্ত্রী কাজ করছেন– এ বিষয়টি ভালোভাবে নেননি সিন্যাট্রা; ফলে তিনি হরহামেশাই সেটে এসে হাজির হতেন।

পোলান্সকি : আমার সেটে নিজের অ্যাটর্নির হাতে মিয়াকে ডিভোর্স পেপার পাঠানোর আগপর্যন্ত তিনি [সিন্যাট্রা] এমনটাই করেছেন। [ডিভোর্স পেপার পেয়ে] মিয়া একেবারেই ভেঙে পড়েছিলেন। লোকটাকে সত্যিই খুব ভালোবাসতেন মিয়া। কাঁদতে কাঁদতে লুটোপুটি খেয়ে আমাকে বলেছিলেন– ‘দেখো, সে [সিন্যাট্রা] তার অ্যাটর্নিকে পাঠিয়েছে।’ কোনো সম্পর্ক এত মার্জিতভাবে শেষ হয়ে যেতে পারে– আমি ভাবতেও পারিনি।

স্পিগেল : ফিল্মমেকার ও অভিনেত্রীর মধ্যে এক ধরনের যৌন-উত্তেজনার উদ্রেক ঘটে বলেই কি অভিনেত্রীদের সঙ্গে থাকতে আপনার বেশি ভালো লাগে?

পোলান্সকি : হতে পারে!

স্পিগেল : ১৯৭৯ সালে টেস-এর [১৯৭৯] শুটিং করার সময়, তাতে অভিনয় করা তখনকার কিশোরী বয়সী নাস্তাৎসিয়া কিন্সকির [১৯৬১-; জার্মান অভিনেত্রী] সঙ্গেও তো আপনি থাকতেন!

পোলান্সকি : এবার বলুন, আপনার এই আর্টিকয়ালের জন্য আমার নারীঘটিত বিষয়ের প্রতিই কি আপনার একমাত্র আগ্রহ?

স্পিগেল : আপনিই তো সেই মানুষ, যিনি সম্প্রতি ফিল্মমেকার ও অভিনেত্রী, এবং যৌনতা ও ক্ষমতার মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে একটি ফিল্ম বানিয়েছেন। এ বিষয়গুলো আপনার নিজের ও আপনার জীবনের সঙ্গে জড়িত– এমনটা ভেবে নেওয়া কি ভুল হবে?

পোলান্সকি : আমাকে এমন ধরনের প্রশ্ন করার জন্য কোনো ফালতু কারণ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। আমি কিন্তু বাচ্চা না!

স্পিগেল : দুঃখিত; ক্ষমা করবেন!

একান্ত সময়ে রোমান পোলান্সকি ও নাস্তাৎসিয়া কিন্সকি

পোলান্সকি : বেশিরভাগ অভিনেত্রীর সঙ্গেই, বস্তুতপক্ষে তাদের সবার সঙ্গেই আমার একটি একেবারেই নিখাদ পেশাদার সম্পর্ক ছিল; যদিও ইমানুয়েল, শ্যারন [শ্যারন টেট : ১৯৪৩-১৯৬৯; আমেরিকান অভিনেত্রী] এবং হয়তো নাস্তাৎসিয়ার কথা আলাদা। তবে টেস-এর শুটিংয়ের সময় আমি আর নাস্তাৎসিয়া কিন্তু একসঙ্গে থাকতাম না। না; আমার জীবনে এ রকম নারী [অভিনেত্রী] মাত্র দুজনই এসেছেন। এক সময় ছিলেন… আপনি হয়তো জানেন, শ্যারন টেট ছিলেন আমার স্ত্রী। দ্য ফিয়ারলেস ভ্যাম্পায়ার কিলারস-এর [১৯৬৭] শুটিংয়ের সময় তার সঙ্গে পরিচয় ঘটেছিল আমার।

স্পিগেল : আর আপনি প্রেমে পড়ে গেলেন?

পোলান্সকি : ঠিক একেবারে শুরু থেকেই! তখন আমরা দলোমিতেসে [ইতালিয়ান পার্বত্যাঞ্চল] শুটিং করছিলাম।

স্পিগেল : আত্মজীবনীতে আপনি লিখেছেন, আপনারা একসঙ্গে এলএসডি [ড্রাগস] সেবন করতেন ও গান শুনতেন; আর এভাবেই আপনাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গড়ে ওঠে।

পোলান্সকি : এটি আমাদের শুটিং শুরু করার আগের ঘটনা। অবশ্যই শুটিংয়ের সময় আমরা এলএসডি সেবন করতাম না। ভুলে যাবেন না– এলএসডি সেবন তখনো বৈধ ছিল। তবে শ্যারন আর আমার জীবন একসঙ্গে বেশিদিন কাটেনি। বেশিদিন টিকতে পারেনি সম্পর্কটা।

স্পিগেল : ১৯৬৯ সালের আগস্টে, চার্লস ম্যানসনের গুণ্ডাবাহিনী আপনার লস অ্যাঞ্জেলেসের বাসায় ঢুকে আপনার স্ত্রী ও তার চার বন্ধুকে খুন করে ফেলে। তখন টেটের গর্ভে ছিল আপনার সন্তান। এ ঘটনার অল্প কয়েকদিন আগেই আপনি লন্ডনে গিয়েছিলেন; আর সেখানে ছিলেন বলেই সে রাতের সেই নৃশংস ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচে গেছেন।

পোলান্সকি : সেই দিনগুলো কী করে যে কাটিয়ে উঠেছি– ভেবে প্রায়শই অবাক হয়ে যাই।

দাম্পত্য-জীবনে শ্যারন টেট ও পোলান্সকি

স্পিগেল : উত্তর পেয়েছেন কি?

পোলান্সকি : এটিকে নিয়ে এখন আমি একদমই আর ভাবি না। একটা সময়ে এসে, এ নিয়ে ভাবনা থামিয়ে দিতে হয়েছেই আমাকে। এ ঘটনা যখন ঘটেছিল, বন্ধুরা বলতেন : ‘তুমি বরং নিজের কাজেই মন দাও।’ কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে কাজ করা একেবারেই অসম্ভব ছিল। কাজ করার মতো কোনো শক্তিই ছিল না আমার। শুধুমাত্র সময়ই আমাকে সত্যিকার অর্থে এ থেকে আরোগ্য দিয়েছে; আর কোনোকিছু নয়।

স্পিগেল : কেমন সময় লেগেছিল এর জন্য?

পোলান্সকি : সময় লেগেছে প্রচুর। এই খুনের অল্প কিছুদিন পর আমি আমার এক সাইকিয়াট্রিস্ট বন্ধুর কাছে হাজির হয়েছিলাম। তিনি বললেন, আমার জন্য সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে ওঠতে কম করে হলেও চার বছরের মতো লেগে যাবে। তখন অবশ্য, একেকটি মুহূর্ত আমার কাছে সুদীর্ঘ হয়ে ধরা দিয়েছিল। তবে সবকিছু মোটামুটি স্বাভাবিক হতে সময় লেগে গিয়েছিল চার বছরেরও বেশি। ভেবে অবাক হই, এইজন সাইকিয়াট্রিস্টের কথা এমন ভুল হয় কী করে!

স্পিগেল : এই খুনের নির্দেশ যে লোকটি দিয়েছিল, সেই চার্লস ম্যানসন ছিল এক পাগলাটে হিপ্পি– যে তার কপালে একটা স্বস্তিকার ট্যাটু এঁকে রাখত। এ ঘটনার বছর পঁচিশ আগে, আপনি যখন ক্রাকোভার [পোল্যান্ড] ইহুদিপাড়ার এক বালক, তখনও স্বস্তিকা চিহ্নবাহী লোকগুলোর নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল আপনাকে। শৈশবের সেই দিনগুলো স্মরণ করতে কি কষ্ট হয় আপনার?

পোলান্সকি : প্রত্যেকটি ঘটনার খুঁটিনাটি সবকিছুই আমার মনে আছে।

বাবার সঙ্গে রোমান পোলান্সকি

স্পিগেল : ২০০২ সালের সিনেমা দ্য পিয়ানিস্ট-এ নিজের স্মৃতির ব্যবহার আপনি ঘটিয়েছেন। জার্মান দখলদারিত্বের দিনগুলোতে ক্রাকোভার ইহুদিপাড়ার ঘটনাগুলোর অভিজ্ঞতা ব্যাখ্যা দেওয়ার মতো সর্বশেষ সমকালীন প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে এখন আপনি একজন। এ বিষয়টি নিয়ে আপনি কি কথা বলেন? যেমন ধরুন, নিজের সন্তানদের সঙ্গে?

পোলান্সকি : এ খুবই জটিল বিষয়। নিজের বাবার সঙ্গে কাটানো দিনগুলোর স্মৃতি আমি মনে করার চেষ্টা করি। মাউথহাউজেন [অস্ট্রিয়া] বন্দিশিবির থেকে বাবা যখন ফিরে এলেন, বেঁচে আসা কিছু মানুষের সঙ্গে তিনি মাঝে মধ্যেই একত্রিত হতেন। আর তখন তারা সেই /দুঃসহ দিনগুলোর স্মৃতি এবং কীভাবে বেঁচে বেড়িয়েছেন– তা নিয়ে কথা বলতেন। শরীরের ক্ষতস্থানগুলোতে ব্যান্ডেজ করার জন্য সিমেন্টের ব্যাগের কাগজ ব্যবহার করতেন বাবা। মাছির উৎপাত থেকে ঘাঁ বাঁচানোর জন্য কীভাবে তারা কাগজটির ব্যবহার করতেন, বলতেন সে কথাও। এসব আলাপ আমার ভালো লাগত না। সবচেয়ে বড় কথা হলো, শাস্তির প্রসঙ্গে তিনি যখন কোনো স্মৃতিচারণা করতেন– একদমই ভালো লাগত না আমার।

স্পিগেল : ১৯৩৯ সালে জার্মানরা পোল্যান্ড দখল করে নেওয়ার পর যা যা ঘটেছে — আপনি বুঝতে পারতেন?

পোলান্সকি : আমার বয়স ছিল তখন ছয় বছর। তবে হ্যাঁ, আমি বুঝতে পারতাম। বড়রা এ বিষয়টি নিয়ে বছরের পর বছর ধরে কথা বলেছেন। বলেছেন নিজেদের আতঙ্কের কথা, ঘৃণার কথা, জার্মানদের বিরুদ্ধে পোল দেশপ্রেমিকদের প্রতিরোধের কথা। জার্মানদের দেখা আমি প্রথম পাই ভারসাভার রাস্তায়– সৈন্যরা মার্চপাস্ট করে যাচ্ছিল। দ্য পিয়ানিস্ট-এ দেখানো এ দৃশ্যটির কথা কি মনে আছে আপনার? ঠিক এভাবেই এ ঘটনাটির অভিজ্ঞতা আমার হয়েছিল। আমরা তাদেরকে দেখছি; আর অনেকেই তাদের দিকে পিঠ ঘুরিয়ে রেখেছে। বাবা দাঁড়িয়ে ছিলেন আমার পাশেই; পোলিশ ভাষায় বলে ওঠলেন : ‘এরা সব বাঞ্চোৎ! সবগুলা বাঞ্চোৎ!’


সূত্র • স্পিগেল। ম্যাগাজিন, জার্মানি। ১২ নভেম্বর ২০১৩

পরবর্তী কিস্তি

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
সম্পাদক : ফিল্মফ্রি । ঢাকা, বাংলাদেশ।। সিনেমার বই [সম্পাদনা/অনুবাদ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [৪ খণ্ড : ইরান, লাতিন, আফ্রিকা, কোরিয়া]; ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো : প্রেম ও দেহগ্রস্ত ফিল্মমেকার; তারকোভস্কির ডায়েরি; স্মৃতির তারকোভস্কি; হিচকক-ত্রুফো কথোপকথন; কুরোসাওয়ার আত্মজীবনী; আন্তোনিওনির সিনে-জগত; কিয়ারোস্তামির সিনে-রাস্তা; সিনেঅলা [৩ খণ্ড]; বার্গম্যান/বারিমন; ডেভিড লিঞ্চের নোটবুক; ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি ।। কবিতার বই : ওপেন এয়ার কনসার্টের কবিতা; র‍্যাম্পমডেলের বাথটাবে অন্ধ কচ্ছপ; হাড়ের গ্যারেজ; মেনিকিনের লাল ইতিহাস ।। মিউজিকের বই [অনুবাদ] : আমার জন লেনন [মূল : সিনথিয়া লেনন]

2 মন্তব্যগুলো

  1. […] পোলান্সকির দ্য পিয়ানিস্ট-এর [২০০২] সঙ্গে আমি একমত নই : শিল্প কোনো ক্ষমতাধর উদ্দেশ্যকে হাসিল করে না, এটি মানুষকে পরস্পরের সঙ্গে পুনর্মিলিত করে না। ইউরোপিয়ান আর্ট তো নয়ই। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয়, জার্মান রোমান্টিসিজম বস্তুত পক্ষে যুদ্ধকে [বিশ্বযুদ্ধ] এগিয়ে নিয়েছে । তবে এটি হতে পারে স্রেফ একটি ধারণামাত্রই। […]

মন্তব্য লিখুন