চেক নিউ ওয়েভ: একটি আন্দোলন ও একদল তুখোড় ফিল্মমেকার

2
679

গ্রন্থনা ও অনুবাদ । রুদ্র আরিফ


ফ্রেঞ্চ নিউ ওয়েভ ও পোস্ট নিও-রিয়ালিজম ইতালিয়ান সিনেমার পাশাপাশি চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভও সম্ভবত বিংশ শতকের সিনেমার অন্যতম ঋদ্ধবান একটি আন্দোলন। ১৯৬০ দশকের প্রথম পর্যায় থেকে ১৯৭০ দশকের প্রথম পর্যায় পর্যন্ত প্রায় দশ বছরে তৎকালীন চেকোস্লোভাকিয়ার ফিল্মমেকারদের একটি প্রজন্ম আমাদেরকে সিনেমার সামগ্রিক ইতিহাসের কিছু সর্বোৎকৃষ্ট উদ্ভাবনক্ষম, মৌলিক, একেবারেই নতুন এবং সবচেয়ে সুন্দর সিনেমা উপহার দিয়েছেন। এরপর এ সিনে-আন্দোলন ভেঙে পড়ে দেশটিতে ১৯৬২ সাল থেকে শুরু হয়ে যাওয়া একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংস্কারের ফলে। এ সময়টিতে চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভ-এর ফিল্মমেকারেরা রাষ্ট্র সমর্থিত ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সুযোগ-সুবিধা এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের [বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে] মনোযোগ আকর্ষণ আর প্রাসঙ্গিক শৈল্পিক স্বাধীনতাকে বেশ উপভোগ করতে পেরেছেন। কয়েক বছর তারা এমনসব বিষয়বস্তুকে নিয়ে ফিল্ম বানিয়েছেন, যেগুলোকে অন্য কোনো কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের সেন্সরবোর্ডের পক্ষে হজম করা ছিল প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। তাদের উদ্দেশ্য ছিল,
     “যে উৎপীড়ক ও অযোগ্য রাষ্ট্র-ব্যবস্থার বর্বরতার শিকার তারা সবাই হচ্ছেন, সেইসব বিষয়আশয় সম্পর্কে চেকোস্লোভাক জনগণকে সামগ্রিকভাবে সজাগ করে তোলা।”

ডেইজিস
ডেইজিস

এই মুভমেন্টের ফিল্মমেকারদের মধ্যে ভেরা খ্যিতিলোভার [Věra Chytilová] সবচেয়ে ‘বিখ্যাত’ সিনেমা ডেইজিস-এর [Sedmikrásky; ১৯৬৬] কাহিনী দুটি মেয়েকে নিয়ে– যারা উপলব্ধি করতে পারে, নিজেরাসহ তাদের চারপাশের সবকিছুই দুর্নীতিগ্রস্ত; ফলে ধ্বংসযজ্ঞ ও দুর্নীতির একটি উন্মাতাল পর্যায়ে তারা পৌঁছে যায়– যা কিনা ফিল্ম ন্যারেটিভ ও মন্তাজের টেকনিক সহকারে ফিকশনের সব ধরনের বেসিক নিয়মনীতিকেই একেবারে ভেঙে দিয়েছে। এখানে এই দুই নায়িকার উন্মাতাল যাত্রাকে অনুসরণ করতে করতে আমরা রঙিন দৃশ্য থেকে একলাফে চলে যাই সাদা-কালো দৃশ্যে, আবার সাদা-কালো থেকে লালচে আভাময়তায়, আবার সেখান থেকে একেবারেই যোগসাজস্যহীন কোনো দৃশ্যে। খ্যিতিলোভা সম্ভবত চেক ফিল্মমেকারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৌলিক ছিলেন; আর তার বাস্তবিক প্রমাণ তিনি আরও একবার রেখেছেন ফ্রুট অব প্যারাডাইস [Ovoce stromů rajských jíme; ১৯৭০] ফিল্মে। তিনি আরও বেশকিছু ফিল্ম বানালেও দ্য অ্যাপল গেম [Hra o jablko; ১৯৭৬/৭], প্যানেল স্টোরি [১৯৭৯] ও দ্য জেস্টার অ্যান্ড দ্য কুইন [Šašek a královna; ১৯৮৮] ছাড়া বাকিগুলো তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।

ভ্যালেরি অ্যান্ড হার উইক অব ওয়ান্ডারস
ভ্যালেরি অ্যান্ড হার উইক অব ওয়ান্ডারস

অনেকের মতে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ফিল্মগুলোর একটি হলো ইয়ারোমিল ই্যরেসের [Jaromil Jireš] ভ্যালেরি অ্যান্ড হার উইক অব ওয়ান্ডারস [Valerie a týden divů; ১৯৭০]। ভিতেস্লাভ নেভালের লেখা একটি চেক পরাবাস্তব উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এই ফিল্মটিতেও বেশিরভাগ ভালো সিনেমার মতোই মনোনিবেশ ধরে রাখা সাধারণ দর্শকের জন্য বেশ দুরূহ; তবে মনোমুগ্ধকর ফটোগ্রাফি ও মিউজিকের সন্নিবেশে একটি পরাবাস্তব রূপকথাকে ফ্যান্টাসি ও হররের সীমানায় বেশ মুন্সিয়ানার সঙ্গেই হাজির করতে পেরেছেন এই ফিল্মমেকার। ফিল্মটির নাম দেখে এটিকে পূর্বানুমান করে বসা দর্শকদের অনুমানকে এর প্লটের প্রকাশভঙ্গি একেবারেই গুড়িয়ে দেয়। ইয়ারোমিল ই্যরেসের বানানো অন্য ফিল্মগুলোর মধ্যে দ্য জোক [Žert; ১৯৬৯] ও অ্যান্ড গিভ মাই লাভ টু দ্য স্যালোস […a pozdravuji vlastovky; ১৯৭২] বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

ইয়ান নিমেছের [Jan Němec] ফিল্মগুলোর মধ্যে অ্যা রিপোর্ট অন দ্য পার্টি অ্যান্ড দ্য গেস্টস [O slavnosti a hostech; ১৯৬৬] সবচেয়ে সহজলভ্য। সরকারি ক্ষমতা প্রসঙ্গে নির্মিত এই সিনেমা ভীষণ চাপা উত্তেজনার আবহ ও ডার্ক হিউমারে ভরা। একদল লোককে বনের মাঝখানে এক পিকনিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ‘হারাম’ খাবার খাওয়ার জন্য, অথচ তারা ‘না’ বলতে পারেনি। ফিল্মটি চেকোস্লোভাকিয়ায় ‘চিরকালের জন্য নিষিদ্ধ’ হয়েছিল। নিমেছের বাকি সিনেমাগুলোর মধ্যে ডায়মন্ডস অব দ্য নাইট [Démanty noci; ১৯৬৪] ও লেট নাইট টকস উইথ মাদার [Nocní hovory s matkou; ২০০১] ছাড়া অন্যগুলো তেমন আবেদন রাখতে পারেনি। বন্দিশিবিরে নিয়ে যাওয়ার পথে ট্রেন থেকে পালানো দুই ইহুদি বালককে নিয়ে ডায়মন্ডস অব দ্য নাইট নামের অসাধারণ সিনেমাটির কাহিনী। থিমটি ভেবে প্রিয় পাঠক, আপনি যা অনুমান করছেন, এটি আদতে তারচেয়ে দূরবর্তী বিষয় হয়ে উঠেছে; অরণ্যের ভেতর দিয়ে, তারপর যুদ্ধ কিংবা নাৎসিদের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় এ দুই বালকের স্বপ্ন, কল্পনা আর হ্যালুসিনেশনকে নিয়ে ক্যারিশমা দেখিয়েছে এই সিনেমা। নিমেছের আরেকটি সহজলভ্য ফিল্ম লেট নাইট টকস উইথ মাদার তিনি বানিয়েছেন ডিজিটাল ভিডিওতে, একটি ফিশারি লেন্স ব্যবহার করে; এখানে ক্যামেরা মুভমেন্টের মাধ্যমে যেসব বিমূর্ত ইমেজের সৃষ্টি তিনি করেছেন, তা সিনেমায় এর আগে কেউ দেখেনি কখনো। এটি একেবারেই ব্যক্তিগত একটি ফিল্ম; এক ধরনের ডকুমেন্টারি; কিংবা বলা চলে, নিজের মায়ের মৃত্যু সম্পর্কে স্বীকারোক্তিমূলক সিনেমা। এখানে বেশ চমকপ্রদ এক্সপেরিমেন্টের দেখা মিললেও একটি আসলে চেক সিনেমার কিংবা ইয়ান নিমেছের সিনেমার পরিচয়দানের ক্ষেত্রে সেরা কাজ বলে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য নয়।

অ্যা রিপোর্ট অন দ্য পার্টি অ্যান্ড দ্য গেস্টস
অ্যা রিপোর্ট অন দ্য পার্টি অ্যান্ড দ্য গেস্টস

কারেল কাখ্যিনার [Karel Kachyňa] সবচেয়ে বিখ্যাত সিনেমা দ্য ইয়ার [Ucho; ১৯৭০]। ফিল্মটিকে মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই নিষিদ্ধ করেছিল চেকোস্লোভাক কর্তৃপক্ষ; আর তা বহাল ছিল টানা ২০ বছর। নিপীড়ক টোটালিটারিয়ান সিস্টেমের অধীনে প্যারানোয়াগ্রস্ত সাবজেক্ট নিয়ে এটি একটি মাস্টারপিস সিনেমা। এখানে নিজেদের বাড়ি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়ে যাওয়া টের পেয়ে এক দম্পতির জীবন ভেঙে পড়ে এবং তাদের বলার মতো কথাগুলো নিয়ে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

সেই প্রজন্মের চেকোস্লোভাক ফিল্মমেকারদের মধ্যে আরেকজন মৌলিক নির্মাতা– ইউরাই হের্জ [Juraj Herz]। তার সবচেয়ে বিখ্যাত সিনেমা– দ্য ক্রিমেটর [Spalovač mrtvol; ১৯৬৮]। অসাধারণ এডিটিং-সমৃদ্ধ এই মাস্টারপিস সিনেমাটিকে শুধুমাত্র হাংগেরিয়ান ফিল্মমেকার কারোই ম্যক-এর [Károly Makk] লাভ [Szerelem; ১৯৭১] ও ক্যাটস’ প্লের [Macskajáték; ১৯৭২] সঙ্গেই তুলনা করা সম্ভব। হের্জের আরেকটি মাস্টারফুল সিনেমা বিউটি অ্যান্ড দ্য বিস্ট [Panna a netvor; ১৯৭৮]। এটি মোটেও ‘বিউটি অ্যান্ড বিস্ট’ ধরনের অন্য গতানুগতিক সিনেমাগুলোর মতো নয়। এর অসাধারণ সব দৃশ্য যেকোনো দর্শককে মুহূর্তে নতুন এক পৃথিবীতে নিয়ে যেতে সক্ষম। এই ক্ল্যাসিক রূপকথাটিকে একটি অসাধারণ হরর ফিল্মে রূপান্তরের পথে ‘বিস্ট’-এর মাথায় সিংহ নয়, বরং ঈগল বসিয়েছেন হের্জ।

ক্লোজলি ওয়াচড ট্রেনস
ক্লোজলি ওয়াচড ট্রেনস

ই্যরি মেঞ্জেলের [Jiří Menzel] সবচেয়ে বিখ্যাত সিনেমা ক্লোজলি ওয়াচড ট্রেনস [Ostře sledované vlaky; ১৯৬৬]। চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভ-এর অনেকগুলো সিনেমায় তিনি অভিনয়ও করেছেন; অভিনয় করেছেন নিজের ক্যাপ্রিসিয়াস সামার-এও [Rozmarné léto; ১৯৬৮]। ঘুমন্ত এক গ্রামের কাহিনী এটি। সেখানে নদীতে সাঁতরে বেড়ায় ও দর্শন-চর্চা করে বুড়োরা। একজন সার্কাস অ্যাক্রোব্যাট ও তার সুন্দরী অ্যাসিস্ট্যান্ট সেখানে বেড়াতে এলে, এই বুড়োরা বেশ রোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে। ই্যরি নির্মিত অন্য সিনেমাগুলোর মধ্যে সিক্লুসন নিয়ার অ্যা ফরেস্ট [Na samotě u lesa; ১৯৭৬] ও মাই সুইট লিটল ভিলেজ [Vesničko má středisková; ১৯৮৫] বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

দুই জাদুকরের স্বপ্ন ঘিরে বানানো ইন্টিমেট লাইটিং [Intimní osvětlení; ১৯৬৫] হলো ইভান পাছার [Ivan Passer] নির্মিত একমাত্র চেক ফিচার ফিল্ম। এর পরপরই তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। পরে তিনি আর যা যা বানিয়েছেন, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সিলভার বিয়ারস [Silver Bears; ১৯৭৭]। অভিনয়ে মাইকেল কেইনকে নিয়ে নির্মিত এই কমেডি/ক্রাইম সিনেমাটি আরেকটি ভুলতে-বসা ক্ল্যাসিক সিনেমা, যেটির পুনরাবিষ্কার প্রয়োজন।

দ্য ফায়ারমেন'স বল
দ্য ফায়ারমেন’স বল

হলিউডে সিনেমা বানানোর কারণেই সম্ভবত চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভ-এর সবচেয়ে বিখ্যাত ফিল্মমেকারদের অন্যতম হয়ে আছেন মিলোস ফরমান। তিনি যখন শিশু, তখন অসউইচ শহরে তার বাবা-মা খুন হন নাৎসিদের হাতে। বয়স ত্রিশে পৌঁছানোর পরপরই অডিশন [Konkurs; ১৯৬৩], লাভস অব অ্যা ব্লন্ড [Lásky jedné plavovlásky; ১৯৬৪] ও দ্য ফায়ারমেন’স বল-এর মতো [Hoří, má panenko; ১৯৬৭] সিনেমা নির্মাণের মাধ্যমে এ জগতে প্রবেশ করেন তিনি। আর সৃষ্টি করেন কমেডির একটি নিজস্ব স্টাইল। ১৯৬৮ সালের গ্রীষ্মে প্রাগ স্প্রিং থামানোর জন্য ভারসাভা প্যাক্টের সৈন্যরা তার দেশ দখল করে নিলে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ইউরোপ ছাড়েন তিনি। সেখানে নির্মিত তার ওয়ান ফ্লিউ ওভার দ্য কাকু’স নেস্ট [One Flew Over the Cuckoo’s Nest; ১৯৭৫], আমাদিউস [Amadeus; ১৯৮৪] ও দ্য পিপল ভার্সেস ল্যারি ফ্লিন্ট [The People vs. Larry Flynt; ১৯৯৬] ফিল্মগুলো তাকে বিখ্যাত করে তোলে। তবে অনেকের মতে, আমেরিকায় বানানো তার ফিল্মগুলোর চেয়ে বরং নিজ দেশে ক্যারিয়ারের শুরুতে বানানো ফিল্মগুলোই বেশি শক্তিমান, এবং সেগুলো দেখলে সহজেই উপব্ধি করা সম্ভব এই ফিল্মমেকারের মুন্সিয়ানাকে।

বলা বাহুল্য, ১৯৬৮ সালের গ্রীষ্মে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রাগ শহরের [তৎকালীণ চেকোস্লোভাকিয়ার রাজধানী] নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর, এবং স্তালিনের শাসনকাল পর্যন্ত চলমান প্রচণ্ড শক্তিমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপের পর অফিসিয়ালি সমাপ্তি ঘটে চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভ-এর।


দ্য সান ইন অ্যা নেট
দ্য সান ইন অ্যা নেট

  চেকোস্লোভাক নিউ ওয়েভ-এর গুরুত্বপূর্ণ সিনেমাগুলো  

সাল । ফিল্মের নাম [অরিজিনাল শিরোনাম] । ফিল্মমেকার
১৯৬২ । দ্য সান ইন অ্যা নেট [Slnko v sieti] । স্তেফান উহার [Štefan Uher]
১৯৬৩ । সামথিং ডিফারেন্ট [O necem jinem] । ভেরা খ্যিতিলোভা
১৯৬৩ । ব্ল্যাক পিটার [Černý Petr] । মিলোস ফরমান 
১৯৬৪ । দ্য ফিফথ হর্সম্যান ইজ ফিয়ার [A pátý jezdec je strach] । জিবিনেক ব্রেয়ন্যিহ [Zbyněk Brynych]
১৯৬৪ । ডায়মন্ডস অব দ্য নাইট । ইয়ান নিমেছ
১৯৬৫ । লাভস অব অ্যা ব্লন্ড । মিলোস ফরমান 
১৯৬৫ । দ্য শপ অন মেইন স্ট্রিট [Obchod na korze] । ইয়ান কাদের [Ján Kadár]; এলমার ক্লোস [Elmar Klos]
১৯৬৬ । পার্লস অব দ্য ডিপ [Perličky na dně] । ই্যরি মেঞ্জেল; ইয়ান নিমেছ; এভালদ শর্ম [Evald Schorm]; ভেরা খ্যিতিলোভা; ইয়ারোমিল ই্যরেস
১৯৬৬ । ক্লোজলি ওয়াচড ট্রেন । ই্যরি মেঞ্জেল
১৯৬৬ । ডেইজিস । ভেরা খ্যিতিলোভা 
১৯৬৭ । দ্য ফায়ারমেন'স বল । মিলোস ফরমান 
১৯৬৮ । দ্য ডিজার্টার অ্যান্ড দ্য নোম্যাডস [Zbehovia a pútnici] । ইউরাই ইয়াকুবিস্কো [Juraj Jakubisko] 
১৯৬৮ । দ্য জোক । ইয়ারোমিল ই্যরেস
১৯৬৮ । অল মাই কমপেট্রিয়টস [Všichni dobří rodáci] । ভুইতেখ ইয়ানসি [Vojtěch Jasný] 
১৯৬৯ । সেলিব্রেশন ইন দ্য বোটানিক্যাল গার্ডেন [Slávnosť v botanickej záhrade] । এলো হাভেত্তা [Elo Havetta]
১৯৬৯ । দ্য ক্রিমেটর । ইউরাই হের্জ
১৯৬৯ । বার্ডস, অরফানস অ্যান্ড ফুলস । ইউরাই ইয়াকুবিস্কো 
১৯৬৯ । বিহোল্ড হোমোল্কা [Ecce homo Homolka] । ইয়ারোস্লাভ পাপুসেক [Jaroslav Papoušek] 
১৯৭০ । কেইস ফর অ্যা রুকি হ্যাংম্যান [Případ pro začínajícího kata] । পাভেল ইউরাছেক [Pavel Juráček] 
১৯৭০ । ভ্যালেরি অ্যান্ড হার উইক অব ওয়ান্ডারস । ইয়ারোমিল ই্যরেস 
১৯৭২ । মর্জিনা [Morgiana] । ইউরাই হের্জ

সূত্র । মুভি ডট কম । উইকিপিডিয়া

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
সম্পাদক : ফিল্মফ্রি । ঢাকা, বাংলাদেশ।। সিনেমার বই [সম্পাদনা/অনুবাদ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [৪ খণ্ড : ইরান, লাতিন, আফ্রিকা, কোরিয়া]; ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো : প্রেম ও দেহগ্রস্ত ফিল্মমেকার; তারকোভস্কির ডায়েরি; স্মৃতির তারকোভস্কি; হিচকক-ত্রুফো কথোপকথন; কুরোসাওয়ার আত্মজীবনী; আন্তোনিওনির সিনে-জগত; কিয়ারোস্তামির সিনে-রাস্তা; সিনেঅলা [৩ খণ্ড]; বার্গম্যান/বারিমন; ডেভিড লিঞ্চের নোটবুক; ফেদেরিকো ফেল্লিনি; সাক্ষাৎ ফিল্মমেকার ফেদেরিকো ফেল্লিনি ।। কবিতার বই : ওপেন এয়ার কনসার্টের কবিতা; র‍্যাম্পমডেলের বাথটাবে অন্ধ কচ্ছপ; হাড়ের গ্যারেজ; মেনিকিনের লাল ইতিহাস ।। মিউজিকের বই [অনুবাদ] : আমার জন লেনন [মূল : সিনথিয়া লেনন]

2 মন্তব্যগুলো

মন্তব্য লিখুন