আগে হিন্দি থামাই, পরে ইংরেজি ধরব/ শহীদুল ইসলাম খোকন

0
1148
শহীদুল ইসলাম খোকন

সাক্ষাৎকারক । রুদ্র হক

সাক্ষাৎকারকের নোট
সাক্ষাৎকারটি যখন নেওয়া তখনও শহীদুল ইসলাম খোকন অসুস্থ। কথা বলছেন কিন্তু মুখে জড়িয়ে যাচ্ছে, আধো আধো। কথা হচ্ছিল এফডিসির পরিচালক সমিতির কক্ষে। সময়টা ২০১৪ সাল। জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসের আগের দিন। তখন তিনি পরিচালক সমিতির সভাপতি। লড়ছিলেন ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানির বিরুদ্ধে। নিয়মিত কোর্টে যাচ্ছিলেন। কিছুতেই দেশি টিভি চ্যানেলগুলো ভারতে প্রচারের আগে ভারতীয় চলচ্চিত্র এমনকি কলকাতার চলচ্চিত্রও এদেশে ঢুকতে দেবেন না তিনি। প্রয়োজনে আগুন লাগিয়ে দেবেন! দেশীয় চলচ্চিত্রের স্বার্থে এমনই তেজদীপ্ত কণ্ঠস্বর ছিলেন। তার হাত ধরে দেশের অসংখ্য জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীর আবির্ভাব ঘটেছে। উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্র। তার কাছ থেকে জানতে গিয়েছিলাম দেশীয় চলচ্চিত্রের হালহকিকত আর উত্তরণের পথ…


শহীদুল ইসলাম খোকন
জন্ম । ১৫ মে ১৯৫৭; বরিশাল
প্রয়াণ । ৪ এপ্রিল ২০১৬; ঢাকা

সাক্ষাৎকার

রুদ্র হক
বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে আপনার এই মুহূর্তের মূল্যায়নটা জানতে চাই…

শহীদুল ইসলাম খোকন
পৃথিবীর সবজায়গায়, সবদেশে খারাপ ভালো সব ধরনের ছবি নির্মিত হয়। আমাদের দেশে একটু ধস নামছে। এজন্য মাঝে মাঝে মনে হয় সব সম্ভবের দেশ। যখন আমাদের প্রাইভেট চ্যানেলগুলো ছিল না, তখন বাইরের চ্যানেলগুলো চালাতে আমরা মানা করিনি। এখন দেশে ২৬টি চ্যানেল আছে। এখন ওই নগ্ন ছবিগুলো দেখানোর জন্য, পরকীয়া ছবি দেখানোর জন্য ওই চ্যানেলগুলো চালানোর দরকার কী? ইন্ডিয়ার চামচামি করার জন্য? প্রতিবছর দুই হাজার কোটি টাকা চলে যায় এই চ্যানেলগুলোর জন্য। ভারতে আমাদের চ্যানেলগুলো চলছে না। ইন্ডিয়ার ভয় হচ্ছে, একটি চ্যানেল যদি তাদের দেশে চালাতে হয়, তাহলে ৫ কোটি রুপি ব্যাংকে দিতে হয়। আর আমাদের দেশে দিতে হয় এক লক্ষ টাকা। আমি তো বলেছিলাম, আমাদের ২৫টা চ্যানেল ভারতে চালান, তাহলে বাংলা বাংলা আবার আমরা বিনিময় করব। নইলে আগুন লাগায়া দিব, আমি বলছি।


ডিজিটাল ফরম্যাট
হয়ে যাওয়ার পর
কিছু লোক
নাটক
বানিয়ে
তাতে দুইটা
গান ঢুকিয়ে সিনেমা
হিসেবে চালানোর চেষ্টা করছে

বেশ কিছু শিক্ষিত উদ্যোমী তরুণ আসছে নির্মাণে। তাদের আইডিয়া ভালো, চিন্তা-ভাবনা ভিন্ন এবং ভালো। খারাপ দিকটি হচ্ছে, ডিজিটাল ফরম্যাট হয়ে যাওয়ার পর কিছু লোক নাটক বানিয়ে তাতে দুইটা গান ঢুকিয়ে সিনেমা হিসেবে চালানোর চেষ্টা করছে। আমি ঘাবড়াই না এজন্য যে, অনেকগুলো খারাপের মাঝে একটা ভালো হবেই। পৃথিবীর সবদেশেই খারাপ ভালো সবধরনের ছবিই হয়।

শহীদুল ইসলাম খোকন
টপ রংবাজ
ফিল্মমেকার । শহীদুল ইসলাম খোকন

রুদ্র হক
আপনার হাত ধরে দেশের অসংখ্য জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী সৃষ্টি হয়েছে। এখনকার নতুনদের কি সেভাবে আনতে পারছেন নির্মাতারা?

শহীদুল ইসলাম খোকন
একটা আর্টিস্টকে পর্দায় প্রথমে পরিচিত করাতে হয়। রুবেলকে যখন আনি, তখন পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেই– শক্তিশালী, স্বপ্নিল সুদর্শন নায়কের আবির্ভাব, ১৬ মিনিটের;  নতুন শিল্পীর আবির্ভাব ড্যানি সিডাক… এই প্রেজেন্টেশনগুলা নাই। সিমলাকে আনার আগে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে তার নাম আহ্বান করি। হাজার হাজার নাম আসে। এর মধ্যে ১৪ জন নাম দিয়েছিলেন সিমলা। যার মধ্যে একজনকে লটারি করে টেলিভিশন গিফট করেছি আমি। এই যে প্রচারটা, নাই তো। এই যে নতুন শিল্পী আসছে, জনগণের কাছে তারা পৌঁছাতে পারছে না; কেননা তাদের প্রচার নাই। টেলিভিশন রেডিওতে এদের পাবলিসিটি নাই। মনে করেন, আমি যখন তামান্নাকে আনলাম, তখন টিভিতে বিজ্ঞাপন করলাম, ‘লোকে বলে সুন্দরী, আমি বলি সুন্দরী আহা, আসছে শহীদুল ইসলাম খোকনের নতুন নায়িকা তামান্না’। তারপর থেকে রাস্তায় নামলে লোকজন জমে যেত। কই, এখন হালের মাহিকে রাস্তায় নামান দেখি, কয়জন তাকায়?

রুদ্র হক
ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানির বিরুদ্ধে আপনি লড়ে যাচ্ছেন…

শহীদুল ইসলাম খোকন
কর্নেল (অব.) ফারুক খান বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালে গেজেট থেকে ‘বাংলাদেশে উপমহাদেশের অন্য ভাষার চলচ্চিত্র আমদানি করা যাবে না’ লাইনটা মুছে ফেলেছিলেন। আমাদের আন্দোলনের তীব্রতায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে পুনরায় লাইনটি প্রতিস্থাপিত হয়। কিন্তু তার কয়েক দিন পর মধুমিতা হলের মালিক ভারতীয় চারটি চলচ্চিত্রের জন্য এলসি খোলেন। আইন ভঙ্গ করে এলসি খুলে ২০১৩ সালে ছবিগুলো আমদানি করেন। আমরা মামলা করেছি। হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। কী কারণে ছবিগুলো অবৈধ হবে না– জানতে চেয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সেন্সর বোর্ডের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, শিল্প সচিব ও বাণিজ্য সচিবের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন।

শহীদুল ইসলাম খোকন
পালাবি কোথায়
ফিল্মমেকার । শহীদুল ইসলাম খোকন

রুদ্র হক
ভারতীয় সিনেমা দেশে প্রদর্শনের পেছনে দায়ী কারা?

শহীদুল ইসলাম খোকন •
মধুমিতা সিনেমা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ, সিনেমা হল মালিকদের প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম চৌধুরী এবং সুদিপ্ত রায়– এরা হচ্ছে দালাল, পুরা দালাল ভারতীয় ছবি আনার জন্য।

সুদিপ্ত বাবু অর্ধেক সময় ইন্ডিয়া থাকে, ওখানে দালালি করে। ভেঙ্কটেশ ফিল্মের কাছ থেকে টাকা খায়। এবং আমাদের কিছু সরকারি উচ্চ পর্যায়ের লোক এসবের সপক্ষে আছেন, যারা টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেছেন। আমি এই মুহূর্তে সব নাম বলতে চাই না। এমনিতেই কয়েকজন মন্ত্রী আমাকে ধমকেছে– ‘আপনি এত ত্যাড়া ক্যান?’… বাংলাদেশের সিনেমা আইনে সিনেমা হল করলে আপনি বছরে পনের পার্সেন্ট বিদেশি ছবি চালাতে পারবেন। সেভেন্টিফাইভ পার্সেন্ট ছবি বাংলা চালাতে হবে, লেখা আছে। এখন কিছু বলছি না এ কারণে যে, আগে হিন্দি থামাই পরে ইংরেজি ধরব।

রুদ্র হক
ওই যে ব্লকবাস্টারে শুধু ইংরেজি ছবিই চালানো হচ্ছে…

শহীদুল ইসলাম খোকন
ওনাদের সবগুলোতেই চলছে। বাবুল সাহেব স্বপ্ন দেখে, ইন্ডিয়ান ছবি আসলে ক্রিম খাবে। আমার বিশ্বাস, আমি আসতে দিব না। আমি আর নয় মাস আছি, আমি আসতে দিব না। তবে এটাও ঠিক, যদি অলৌকিক কারণে ঢুকে পড়ে ইন্ডিয়ান ছবি, এদেশে চলবে না। আমাদের বেশিরভাগ দর্শক রিকশাঅলা, গার্মেন্টস শ্রমিক। তাদের কাছে সিনেমা হচ্ছে স্বপ্নের জগত। ওখানে বসে গার্মেন্টকর্মী স্বপ্ন দেখবে, একজন গরীব মেয়ের সঙ্গে ধনীর দুলাল শাকিবের প্রেম, তখন সে ভাবতে পারে আমারও তেমন হতে পারে, কিন্তু সেই জায়গায় শাহরুখকে দর্শক নিতে পারবে না, চলবে না, অ্যাবসুলিউটিলি নট। দুয়েকটা হলে, বসুন্ধরা হাউজফুল করে অনন্ত জলিলকেও আপনারা সুপারস্টার বানাতে পারেন। কিন্তু আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, অনন্ত জলিলের একটি ইন্টারভিউও টাকা ছাড়া নেওয়া হয়নি, বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি। এমনকি আমার সন্দেহ, আসিফ নজরুল যে তাকে নিয়ে লিখেছে, কী লিখেছে? তাকে তো টাকাঅলা রামছাগল ছাড়া কী বলা যায়? সবাই তাকে খারাপ বলছে, আর সে বলছে পপুলারিটি।

শহীদুল ইসলাম খোকন
পাগলা ঘণ্টা
ফিল্মমেকার । শহীদুল ইসলাম খোকন

রুদ্র হক
অনন্ত জলিল সম্পর্কে আপনার মূল্যায়নটা তাহলে কী?

শহীদুল ইসলাম খোকন
ওই যে বলেছি, সে চেয়েছে পরিচিতি। সে হয়েছে। ক্যামনে হয়েছে তা তো বুঝতেই পারছেন। ওনার টাকা আছে, টাকা দিয়ে অনেক কিছু করতে পারেন, করেছেন।

রুদ্র হক
সিনেমা হলের সংখ্যা দ্রুত কমে যাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে কী বলবেন?

শহীদুল ইসলাম খোকন
সিনেমা হলের আইন আছে একটা। সিনেমা হলের জন্য জমিন নিলেন, কিন্তু সিনেমা হল এখন ভেঙে দিলেন, কিন্তু এটা আপনি পারেন না। আইনে নেই। পৃথিবীর কোনো দেশে সরকারি সিনেমা হল ভাঙার সিস্টেম নেই। দেশে ১২০০ সিনেমা হল ছিল, এখন আছে ৫০০। তারা কি সরকারের অনুমতি নিয়েছিল? অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা আরেকটা যুক্ত হয়েছে বিনোদন। সিনেমা হল ঠিক করুক, একটা ছেলেও মদ খাবে না, গাঁজা খাবে না। প্রেমিকা নিয়ে সিনেমা দেখতে যাবে। গভমেন্ট এটা বোঝে না?


সিনেমা হল
ঠিক করুক,
একটা ছেলেও
মদ খাবে না, গাঁজা
খাবে না। প্রেমিকা নিয়ে
সিনেমা দেখতে
যাবে

রুদ্র হক
বাণিজ্যিক সিনেমার স্বরূপটা, এখন কেমন হওয়া উচিত বলে মনে করেন?

শহীদুল ইসলাম খোকন
এটা বললে আমার ঘাড়েই পড়ে যাবে, আমার সকল পরিচালক ভাইদের বলব, বই পড়ুন, অনন্ত প্রতিদিন তিন ঘণ্টা বই পড়ুন। দয়া করে বই পড়ুন। তা না হলে বিশ্বের চলচ্চিত্র সম্পর্কে, সমাজ ও যুগ সম্পর্কে জানবেন কী করে? একজন মেথরের বেডরুম থেকে শুরু করে রাজার বেডরুম কেমন হয়, তা একজন পরিচালককে জানতে হবে। ফিল্ম ইজ অ্যাবসুলিউটলি ডিরেক্টরস মিডিয়া।

শহীদুল ইসলাম খোকন
ঘাতক
ফিল্মমেকার । শহীদুল ইসলাম খোকন

রুদ্র হক
এফডিসির কার্যক্রম সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই…

শহীদুল ইসলাম খোকন
পৃথিবীর কোনো দেশে সরকারি স্টুডিওকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। আমাদের উপায় নেই, তাই এফডিসিতেই থাকতে হচ্ছে। আমার মতে, এফডিসি হচ্ছে সিনেমা নির্মাণে সরকারি দোকান। আর এর এমডি হচ্ছেন সে দোকানের প্রধান দোকানি মাত্র।

রুদ্র হক •
আপনার বেশক’টি চলচ্চিত্র জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণের সূত্র কী?

শহীদুল ইসলাম খোকন •
পরিচালকদের প্রথমেই জানতে হবে, সিনেমা তিনটি কারণে চলে: প্রথমটি, তোমার ছবিতে এমন কিছু আছে, যা দর্শক আগে কখনো দেখেনি। দ্বিতীয়টি, তোমার ছবি দর্শকহৃদয় স্পর্শ করবে। তৃতীয়টি, হল থেকে বের হওয়ার পরও দর্শকের চোখে দৃশ্যগুলো ভাসবে।

রুদ্র হক
ইন্ডাস্ট্রিকে বড় করতে হলে কী করা উচিত বলে মনে করেন আপনি?

শহীদুল ইসলাম খোকন
আমাদের সরকার ফিল্মকে শিল্প ঘোষণা করেছে। যেসব দেশে ফিল্মকে শিল্প ঘোষণা করেছে সেসব দেশে ফিল্ম সংশ্লিষ্ট করপোরেশন আছে– তিন চারশ কোটি টাকা দিয়ে, যেখানে নির্মাতারা লোন পাবে। আমি একটা স্ক্রিপ্ট করেছি। ছবি বানাব, আমাকে দু কোটি টাকা লোন দিন। কম হোক, দেওয়া উচিত। প্রত্যেক জেলার জেলা প্রশাসক সিনেমা হলগুলো তদারকি করবেন, আমাদের শিল্পপতিরা অনেক টাকা ওড়াচ্ছেন, তারা নির্মাণে আসুক। এই যে যমুনা আছে, বসুন্ধরা আছে– তারা এগিয়ে আসুক। কিংবা না আসুক, টাইটেল স্পন্সর করুক। আমার মতে, এই দেশে আমার জানা মতে ভালো ভালো মেধাসম্পন্ন কিছু লোক আছে, রিয়েল ক্রিয়েটর লোক আছে। সুযোগের অভাবে নির্মাণে আসতে পারছেন না। 

রুদ্র হক
সেন্সর বিষয়ে আপনার অবস্থান?

শহীদুল ইসলাম খোকন
দেশের কোনো শিল্পমাধ্যমে কিন্তু সেন্সর নেই, শুধু সিনেমায় আছে। স্বাধীন দেশে স্বাধীনতা নেই শুধু চলচ্চিত্রকারদের। আমরা সব কথা বলতে পারি না। নাটকে আছে? টেলিভিশনে আছে? আমাদের কেন থাকবে? আমরা কি অচ্ছুৎ বাংলাদেশে?

প্রথম প্রকাশ । বণিক বার্তা । ২০১৪

শহীদুল ইসলাম খোকন
কমান্ডার
ফিল্মমেকার । শহীদুল ইসলাম খোকন

শহীদুল ইসলাম খোকনের ফিল্মোগ্রাফি

বীর পুরুষ । ১৯৮৮
বজ্রমুষ্ঠি । ১৯৮৯
সন্ত্রাস । ১৯৯১
টপ রংবাজ । ১৯৯১
উত্থান পতন । ১৯৯২
সতর্ক শয়তান । ১৯৯৩
অপহরণ । ১৯৯৩
দুঃসাহস । ১৯৯৪
ঘাতক । ১৯৯৪
কমান্ডার । ১৯৯৪
বিশ্বপ্রেমিক । ১৯৯৫
পালাবি কোথায় । ১৯৯৭
ভন্ড । ১৯৯৮
ম্যাডাম ফুলি । ১৯৯৯
পাগলা ঘণ্টা । ১৯৯৯
যোদ্ধা । ২০০০
টাকা । ২০০৫
লাল সবুজ । ২০০৫
বাংলা । ২০০৬
চেহারা : ভন্ড-২ । ২০১০
দুঃসাহস । ১৯৯৪
ঘাতক । ১৯৯৪
কমান্ডার । ১৯৯৪
বিশ্বপ্রেমিক । ১৯৯৫
পালাবি কোথায় । ১৯৯৭
ভন্ড । ১৯৯৮
ম্যাডাম ফুলি । ১৯৯৯
পাগলা ঘণ্টা । ১৯৯৯
যোদ্ধা । ২০০০
টাকা । ২০০৫
লাল সবুজ । ২০০৫
বাংলা । ২০০৬
চেহারা : ভন্ড-২ । ২০১০

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
কবি; সাংবাদিক । বাংলাদেশ ।। কবিতার বই : নাক নেই [২০১৭]

মন্তব্য লিখুন