বিহাইন্ড দ্য লেন্স : আনোয়ার হোসেন/ টোকন ঠাকুর

1
222
Tokon Thakoor

লিখেছেন । টোকন ঠাকুর

আনু ভাই যে রাতে পান্থপথের একটি হোটেল কক্ষে মারা যান, তখন কাঁটা প্রডাকশন নিয়ে আমি পুরোনো ঢাকার শরৎগুপ্ত রোডের একটি পুরোনো বাড়িতে শ্যুটিংয়ে ছিলাম। নয় মাস ছিলাম সে বাড়িতে, টিম নিয়েই। প্রয়াত কথাসাহিত্যিক শহীদুল জহিরের গল্প অবলম্বনে কাঁটা নির্মাণের একদম শেষ পর্যায়ে আছি এখন। কাঁটার ক্যামেরার দায়িত্ব নিয়েও কথা হয়েছিল তাঁর সঙ্গে। ফটোগ্রাফার, সিনেমাটোগ্রাফার আনু ভাই জীবনের শেষ দিকে এসে বসবাস করতেন কখনো প্যারিসে, কখনো বাংলাদেশের শরিয়তপুরের কোনো একটি গ্রামে কিংবা হঠাৎ হঠাৎ ঢাকায়। ঢাকায় এলে থাকতেন হোটেলে। অথচ এই শহরেই তিনি জন্মেছিলেন তাঁর পৈতৃক বাড়িতে, পুরোনো ঢাকায়। পড়ালেখা করেছেন বুয়েটে, স্থাপত্যে। কিন্তু তাঁর জীবন গেল ক্যামেরা হাতে নিয়ে সাটার টিপে টিপে।

কাঁটা
ফিল্মমেকার । টোকন ঠাকুর
পোস্টার ডিজাইন । ধ্রুব এষ

তো আনোয়ার ভাই তখন শরিয়তপুরে, একদিন কথায় কথায় ফোনে বললেন, “তুই তো দুটো সিনেমা করছিস, অন্তত একটিতে ক্যামেরায় আমাকে নিতে পারিস, যদি আমার কাজ তোর পছন্দ হয়।” সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে রবীন্দ্রনাথের সার্ধশতজন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজপুত্তুর শর্টফিল্মটা বানাচ্ছিলাম তখন। কাঁটার কাজ ধরা হয়নি। আমি আনু ভাইকে বললাম, “আপনার সঙ্গে আমার একটা বয়সজনিত প্রজন্ম গ্যাপ আছে, সেটা কাজের মধ্যে ফ্যাক্টর হয়ে ওঠে কিনা!” আনু ভাই বললেন, “ঢাকায় একটা হোটেলে আবাসিক করে দিস আমাকে, আর টাকা-পয়সা লাগবে না।” পরে কাঁটার কাজ শুরু হয়ে যায় তাইজুল ইসলাম রোমানের ক্যামেরা সঞ্চালনায়।


নিঃসঙ্গ,
জিপসি ধরনের
মানুষ আনু ভাইয়ের
মৃত্যুতে আমার মন
খারাপ হয়ে থাকল
সারাজীবনের
জন্য

আনোয়ার ভাই বয়সে আমার অনেক সিনিয়র, রোমান বয়সে কিছুটা জুনিয়র। কাঁটার কাজ এখন শেষের পথে, কাঁটার সেটে থাকতেই কদিন আগে হঠাৎ ফেসবুকের নিউজ ফিডে আনু ভাইয়ের মৃত্যুসংবাদ দেখতে হলো। শ্যুটিংয়ের চলমান বাস্তবতায় থাকার ফলেই আনু ভাইয়ের জন্য শোকার্ত হতে পারিনি। নিঃসঙ্গ, জিপসি ধরনের মানুষ আনু ভাইয়ের মৃত্যুতে আমার মন খারাপ হয়ে থাকল সারাজীবনের জন্য। আনোয়ার হোসেন, মাই ফ্রেন্ডলি ব্রাদার, এককথায় বাংলাদেশের প্রণিধানযোগ্য কয়েকটি ছবির সিনেমাটোগ্রাফার। বাংলাদেশের সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে লিজেন্ড। দেশের বাইরেও তিনি সমধিক পরিচিত। কিন্তু এই পরিচিতিকে উপেক্ষা করে আনু ভাই এক স্কুলবালকের সারল্য নিয়ে চলতেন, হাঁটতেন, হাসতেন, জিহবা বের করে মুখ ভেংচি কাটতেন, আড্ডা দিতেন। তাঁর আড্ডার সঙ্গী উঠতি ছেলেমেয়ে থেকে তরুণ-তরুণী পর্যন্তই। বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের সঙ্গ তিনি মনে হয় নিতে পারেননি, নেননি। আজ আমি দেশের সবচেয়ে গুণী ফটোগ্রাফার এবং কিছুটা বোহেমিয়ান জীবনের অধিকারী আনোয়ার হোসেন কিংবা আমাদের প্রিয় আনু ভাইয়ের কোন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলব?

সূর্য দীঘল বাড়ী
সূর্য দীঘল বাড়ী
সিনেমাটোগ্রাফার । আনোয়ার হোসেন

কথাসাহিত্যিক আবু ইসহাক-এর উপন্যাস অবলম্বনে শেখ নিয়ামত আলী ও মশিহউদ্দিন শাকের পরিচালিত সূর্য দীঘল বাড়ী স্বাধীন বাংলাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য ছবি। সূর্য দীঘল বাড়ী ছবির সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেন। বাংলার কৃতিবাউল, কবি ও সমাজ সংস্কারক লালন শাহের বায়োপিক ছবি লালন-এর নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেললালন-এর সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেন। শেখ নিয়ামত আলীর ছবি দহন-এর সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেন। কাজ করেন বাদল রহমানের এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী, পুরস্কার, অন্য জীবন, লাল সালু, হুমায়ূন আহমেদের শ্যামল ছায়া, মোরশেদুল ইসলামের চাকা ইত্যাদি ছবিতে। চিত্রগ্রহণে ৫ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন আনু ভাই। একটি মারমা উপকথা অবলম্বনে সেলিম আল দীনের কাহিনী থেকে করা চাকার ফটোগ্রাফি পুরস্কার পায়নি? কেন পায়নি? আমার এখনো মনে আছে চাকার গ্রাম, গ্রামের রাস্তা, গরুর গাড়ির চাকা, গাড়ির ওপরে একটি লাশ, সেই লাশ কোন গ্রামে যাবে, তা নির্ণয় হচ্ছে না… কিম্বা আনোয়ার ভাইয়ের ফটোগ্রাফির সুদৃশ্য অ্যালবামগুলোকেও ছবিপ্রিয় দর্শকের মনে থেকে যাবে।


২০০৯
সালের আগ পর্যন্ত
বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ড,
চলচ্চিত্র পরিবেশক
সমিতি কিম্বা সমকালীন
বেশির ভাগ চলচ্চিত্র নির্মাতা,
ক্রিটিক কিম্বা অ্যাক্টিভিস্ট যারা,
এমনকি চলচ্চিত্র সংসদের
বাঘ-সিংহ নেতাকর্মী–
সবার মধ্যেই
ডিজিটাল
পদ্ধতিতে বানানো
ছবিকে ছবি হিসেবে না
মেনে নেওয়ার বাতিক ছিল,
উন্নাসিকতা
ছিল

সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেনের জীবন বর্ণাঢ্য, বর্ণিল। কিন্তু এই রচনায় আনোয়ার হোসেনের কর্মজীবন নিয়ে বলার চেয়ে তার সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের টুকিটাকিই তুলে আনবার চেষ্টা করতে পারি। অনলাইন যোগাযোগে আজকের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক তখন বাংলাদেশে নতুন নতুন এসেছে– যখন আনোয়ার ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। হতে পারে সেটি ২০০৮ সাল। ফেসবুক মাধ্যমটি দু’এক বছর আগেই প্রবেশ করেছে ঢাকায়। আর ২০০৬ সালে আমি নির্মাণ করি ব্ল্যাকআউট। ডিভি ৪০০-এ শ্যুট করা ৯৭ মি.’র ছবি, আমার প্রথম ছবি। অদ্যাবধি আনরিলিসড। ২০০৯ সালের আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেন্সর বোর্ড, চলচ্চিত্র পরিবেশক সমিতি কিম্বা সমকালীন বেশির ভাগ চলচ্চিত্র নির্মাতা, ক্রিটিক কিম্বা অ্যাক্টিভিস্ট যারা, এমনকি চলচ্চিত্র সংসদের বাঘ-সিংহ নেতাকর্মী– সবার মধ্যেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে বানানো ছবিকে ছবি হিসেবে না মেনে নেওয়ার বাতিক ছিল, উন্নাসিকতা ছিল। আমি জানি, তারা ৩৫ মি.মি.’র মৌলবাদিতার শিকার। কারণ সম্ভবত রক্ষণশীলতাই তাদের অর্জন। ফলে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ২০০৬ সালে নির্মিত ব্ল্যাকআউটকে বঙ্গদেশীয় চলচ্চিত্রমোদিরা ছবি বলতে নারাজ ছিল। ডিজিটাল পদ্ধতিতে যাই বানানো হোক না কেন, তা টেলিভিশন প্রডাকশন হিসেবে তাদের মনে হতো। যদিও ২০০৯ সালের পর থেকে তাদের মনে হওয়া উড়ে গেছে। তাদের রক্ষণশীলতার দরজা জানালা খুলে গেছে। ভাগ্যিস!

তো ২০০৮ এর দিকে ফেসবুকে ব্ল্যাকআউট-এর কয়েকটি স্টিল দেখে প্যারিস থেকে একরাতে আনোয়ার হোসেন আমাকে নক করলেন। তখন বিডি টাইম রাত ৪টা। আনোয়ার ভাইয়ের জিজ্ঞাসা, “স্টিলগুলো কিসের?’” বললাম, “ব্ল্যাকআউট-এর।” “ব্ল্যাকআউট কি?” “আমার ছবি, মুক্তির আলোয় আসেনি।” আনোয়ার ভাই কৌতূহলী হলেন এবং বললেন, “খুব শিগগিরই বাংলাদেশে যাব, আশা করি ঢাকায় দেখা হবে, মার্সি।” আলাপনের শেষ শব্দ হিসেবে আনোয়ার ভাই মার্সি শব্দটি খুব ব্যবহার করতেন।

ব্ল্যাকআউট
ফিল্মমেকার । টোকন ঠাকুর

এরপর কোনো একদিন কফি কফি বিকেলে কিম্বা মমার্ত-সন্ধ্যায় ঢাকার আলিয়ান্স ফ্রাঁসেসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। হঠাৎ একটি টেবিলের ওপারে একজন লোককে দেখে আমার মনে হলো, তিনিই লিভিং লিজেন্ড আনোয়ার হোসেন। শিল্প সমালোচক মইনুউদ্দীন খালেদকে জিজ্ঞাসা করলাম, উনি কি আনোয়ার হোসেন? টেবিলের ওপারের লোকটি আমার প্রশ্নটি শুনলেন এবং আমার দিকে তাকিয়েই টেবিলের ওপার থেকে লাফিয়ে আমাকে হাগ করতে চাইলেন। আমিও ধরলাম তাকে। তারপর ব্ল্যাকআউট এবং ব্ল্যাকআউট-এর স্টিল নিয়ে কথা উঠল। কদিনের মধ্যেই আনোয়ার ভাইয়ের তথ্যাবধানে ব্ল্যাকআউট-এর একটি ঘরোয়া প্রদর্শনীর আয়োজন করা হলো। ভেন্যু, বনানীতে অবস্থিত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাস ২-এর অডিটরিয়াম। দর্শক বলতে আনোয়ার ভাইয়ের ফটোগ্রাফিক কোর্সের প্রায় ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী। তাদের সঙ্গে বসে আনু ভাইও ব্ল্যাকআউট দেখলেন। এবং মন্তব্য করলেন, “প্রচুর স্টিল ব্যবহার করেছিস ভিডিওর মধ্যে।” হ্যাঁ, ব্ল্যাকআউট-এ ভিডিওর ভাঁজে ভাঁজে প্রায় তিনশোর অধিক স্টিল ব্যবহার করা হয়েছে। মহানগর ঢাকায় থাকা আর্ট-কালচার করা দুজন অ্যানার্কিস্ট যুবকের ওপর ফোকাস করা হয়েছে এ ছবিতে। যুবকদ্বয়ের স্বপ্ন, স্বপ্নভঙ্গ, যৌন আকাঙ্ক্ষা ও অবদমন, মাস্টারবেশন, ভরপুর নেশামগ্নতা সর্বোপরি তাদের ইন্টারনাল জীবনযাপনই ব্ল্যাকআউট-এর পটভূমি। এরপর আনু ভাইয়ের সঙ্গে যতবারই সামনাসামনি দেখা হয়েছে, আনু ভাই বলেছেন, “বড্ড সাহস তোর, বাংলাদেশে বসে এভাবে চিন্তা করিস।”

ধীরে ধীরে আনু ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কের রসায়ন আরও ঘনত্বে পৌঁছুচ্ছিল। কলকাতা ঘুরে এসে আনু ভাই ধানমন্ডি ঢাকা আর্ট সেন্টার গ্যালারিতে একক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করলেন। আমি এবং মুভিয়ানা ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি বেলায়াত হোসেন মামুন একদিন আর্ট সেন্টারে গেলাম। আর্ট সেন্টারে সেদিন আনোয়ার ভাইয়ের সঙ্গে অনেক আড্ডাবাজি হলো, আড্ডাবাজি প্রায়ই হচ্ছিল।

আনোয়ার হোসেন
ফটোগ্রাফার । টোকন ঠাকুর

আবার তিনি প্যারিসে যান। সেখানে তার ফরাসি স্ত্রী আছেন। আছে দু’টি সন্তান। কিন্তু আমি কখনো জিজ্ঞাসা করিনি সেই অভিনেত্রীর কথা, একদা যিনি ঢাকায় আত্মহত্যা করেছিলেন, যার নামের শেষে আনোয়ার লেখা থাকে। ডলি আনোয়ার। সম্ভবত ২০১২-তে, আনোয়ার ভাই তখন ধানমন্ডি শংকরে একটি বাসায় থাকতেন। সেবছর তাঁর জন্মদিনের রাতে আমরা অনেক হইচই করেছি। কেক কেটেছি। আনু ভাই অনেক বেলুন ফুলিয়েছেন। আমিও অনেক ছবি তুলেছি। এরপর ঘরোয়াভাবে আনু ভাইকে আর কাছে পাইনি। মনে মনে হয়তো আমার ওপরে একধরনের আহতবোধ জন্মেছিল আনু ভাইয়ের। আহতবোধের কারণ, আমি তাকে রাজপুত্তুর বা কাঁটায় যুক্ত করতে চাইনি। ভেবেছি পরবর্তীতে একটি কাজ হলেও আমরা একসঙ্গে করব। আনু ভাইয়ের সঙ্গে সে চাওয়া আমার আর পূরণ হলো না, হবেও না। এতে আমারই বাকিজীবন এক আহতবোধ নিয়ে, অপূর্ণতা নিয়ে থাকতে হবে। সবমিলিয়ে একটি কষ্ট থেকে যাচ্ছে।

কাঁটার সেটের পেইন্টিং ও লিড অ্যাকট্রেস


বাংলাদেশের মতো এমন
ফাটকাবাজির দেশে
আনোয়ার হোসেনের
মতো এমন গুণীন,
কর্মঠ, প্রাণচঞ্চল
মানুষের প্রাপ্য
কদর হয় না,
হয়নি,
হবেও
না

আজ এ কথা বলতেই পারি, বাংলাদেশের মতো এমন ফাটকাবাজির দেশে আনোয়ার হোসেনের মতো এমন গুণীন, কর্মঠ, প্রাণচঞ্চল মানুষের প্রাপ্য কদর হয় না, হয়নি, হবেও না । বাংলাদেশের আলোকচিত্র ও চলচ্চিত্রে আনু ভাই এমন উদাহরণ হয়ে থাকলেন, যাকে বলব, তুলনারহিত। মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্রেও আনু ভাইয়ের অংশগ্রহণ অনস্বীকার্য, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বরের ক্রোড়পত্রেই সেটি প্রামাণ্য। এরপরও যদি কোনো দলকানা কেউ প্রশ্ন করেন, আনোয়ার হোসেন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কিনা– তবে বলব, অহেতুক প্রশ্নকারীর মধ্যে মুুক্তিযুদ্ধের চেতনার ঘাটতি আছে। ফলে, একুশবার তোপধ্বনি আপনাকে, একশ একটি লাল সেলাম আপনাকে, মাই ফ্রেন্ডলি ব্রাদার, ফ্রিডম ফাইটার, ফটোগ্রাফার কাম সিনেমাটোগ্রাফার আনোয়ার হোসেন, আপনাকে গার্ড অফ অনার।

১৩ জানুয়ারি, ২০১৯
কাঁটা ক্যাম্প, ঢাকা
Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
কবি; আর্টিস্ট; ফিল্মমেকার।। ঢাকা, বাংলাদেশ।। ফিল্ম : ব্ল্যাকআউট [২০০৬]; রাজপুত্তুর [২০১৫]; কাঁটা [নির্মাণরত]।। কাব্যগ্রন্থ : অন্তরনগর ট্রেন ও অন্তরঙ্গ স্টেশন; দূরসম্পর্কের মেঘ; আয়ুর সিংহাসন; কবিতা কুটিরশিল্প; দুপুর আর দুপুর রইল না; নার্স, আমি ঘুমোইনি; কুরঙ্গগঞ্জন; টোকন ঠাকুরের কবিতা; তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না; আমি রিলেটিভ, মেসো; ভার্মিলিয়িন রেড; প্রেমের কবিতা; রাক্ষস@gmail.com; শিহরণসমগ্র; আমি পুরুষ মৌমাছি; ১ ফর্মা ভালোবাসা; নির্বাচিত ১০০ কবিতা।। গল্পগ্রন্থ : খশ্যেদ ও অন্যান্য চরিত্র; লিবিয়ান ভিসা; জ্যোতি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছিল; সুঁই ও ব্লেড।। উপন্যাস : চরৈবেতি; মধুযামিনী রে।। শিশুতোষ-গ্রন্থ : ফড়িঙের বোন; সব পাখিরাই পাখি না; মেঘলা দুপুর শীতের পুকুর; মি. টি. মি. অ অ্যান্ড মিসেস মেঘের গল্প; নিলডাউন; মমি।। ফিল্ম-প্রোডাকশন হাউস : ভার্মিলিয়ন রেড

১টি কমেন্ট

মন্তব্য লিখুন