মৃণাল সেনের আত্মজীবনী [কিস্তি : ১]

4
279
MRINAL SEN

লিখেছেন । মৃণাল সেন

মৃণাল সেন। সদ্যপ্রয়াত মাস্টার ফিল্মমেকার। তাঁর মহাজীবনের পাঠ নিতে, আত্মজীবনী তৃতীয় ভুবন-এর ‘চতুর্থ অধ্যায়’টি এখানে তিন কিস্তিতে পুনমুর্দ্রণ করা হলো…

filmfree

তৃতীয় ভুবন
লেখক । মৃণাল সেন
প্রথম প্রকাশ । ২০০৪
প্রথম আনন্দ প্রকাশ । এপ্রিল ২০১১
প্রকাশক । আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, ভারত
প্রচ্ছদ । সোমনাথ ঘোষ
পৃষ্ঠাসংখ্যা । ২৬৮
মূল্য । ৩০০ রুপি

কিস্তি । ১ [৩]

দেশে ফিরে এলাম। যদি পেছনে তাকাই হিসেব করলে দেখা যাবে ১৯৪৭ থেকে ১৯৭৯ সাল যেন একটা টাইম মেশিন কাজ করে গেছে, অবশ্যই হিরোশিমার সেই ৬ আগস্ট এবং নাগাসাকির সেই ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালকে ধরে নিয়ে।

এখন আবার মনে পড়ে সেই সময়ের কথা। সেই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ, সেই ভারতের কথা। সেই ১৪ বা ১৫ আগস্ট দিল্লি থেকে জওহরলাল নেহরু মধ্যরাতে বক্তৃতা দিলেন ভারতের জনসাধারণের উদ্দেশে :

“Long years ago we made a tryst with destiny, and now the time comes when we shall redeem our pledge, not wholly and in full measure, but very substantially. At the stroke of the midnight hour, when the world sleeps, India will make to life and freedom…”

Mrinal Sen
মৃণাল সেন
কলেজে পড়ার দিনগুলোতে

তখন একটা এমন সময়, একটা এমন মুহূর্ত যখন ইতিহাসের পাতায় নতুন যুগের ইতিহাস লেখা হচ্ছে। আনন্দ উত্তেজনা মানুষের মধ্যে, সব মিলেমিশে জাতীয় উৎতসব চলছে। একটা দেশ জন্ম নিল, একটা জাতি জন্ম নিল– স্বাধীনতার বিরোধীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে। সেদিন দিল্লিতে ওই ঐতিহাসিব দিনে মাত্র একজন উপস্থিত ছিলেন না। ঠিক সেই দিনে, সেই রাত্রেই তিনি এই কলকাতা শহরে এলেন সম্ভবত বেশ কয়েকটা দিনের জন্য। মহাত্মা গাঁধী। এমন নয় যে তিনি এইরকম স্বাধীনতার জন্য তিতিবিরক্ত, এই নয় যে তিনি স্বেচ্ছা নির্বাসনে এলেন এখানে। তিনি এখানে এসেছিলেন সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে। এ শহরের উন্মাদ উত্তেজিত মানুষগুলোর সম্বিৎ ফেরাতে। ১৯৪৬ সালের সেই বিশাল নিধনযজ্ঞ শেষ হলেও হিংস্রতা আবার দানা বাঁধছিল। হিন্দু মুসলমানের দাঙ্গার রক্ত তখনও শুকিয়ে যায়নি। সেটা পুবদিকেও নয়, পশ্চিমেও নয়। সর্বত্র কেমন একটা ভাব। মহাত্মা ছুটে ছুটে ঘুরে বেড়াতে লাগলেন এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় শুধু একটু শান্তির জন্য, একটু শুভ বুদ্ধির জন্য।

চলছে কাতারে কাতারে
নিরাশ্রয় মানুষের
আশ্রয়ের
খোঁজ

১৪-১৫ আগস্ট দেশের সাধারণ মানুষ স্বাধীনতা উৎসবে গা ভাসিয়ে দিল। আবার সবাই বেদনাও অনুভব করল যে দেশটা ফালাফালা হয়ে গেল। একদিকে চলছে মানুষের আনন্দে আত্মহারা হয়ে স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করার খেলা, আবার অন্যদিকে চলছে রাগ, দুঃখ, ক্ষোভ, হতাশা, আশ্রয়হীন মানুষের তীব্র গতিতে পূর্ববঙ্গ আর পশ্চিম পাঞ্জাবের সীমান্তে নিজের নিজের বাসস্থান খুঁজে নেওয়ার সংগ্রাম, বেঁচে থাকার লড়াই। চলছে কাতারে কাতারে নিরাশ্রয় মানুষের আশ্রয়ের খোঁজ। যে আনন্দ মানুষকে আত্মহারা করে দিয়েছিল, উন্মত্ত করে দিয়েছিল সেটাও বেশিদিন স্থায়ী হলো না। ভারতের এপারে ওপারে, ভারতে পাকিস্তানে, কোথাও না। পশ্চিমে সাম্প্রদায়িক বিপদ করাল ছায়ার সৃষ্টি করল, বিশেষত রাজধানী দিল্লিতে এবং পাকিস্তানের কোথাও কোথাও। বাস্তুহারারা এদেশ থেকে ওদেশে, আবার ওদেশ থেকে এদেশে আসতেই লাগল। নিষ্ঠুরতা, খুনখারাপি, লুট, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া, পুড়িয়ে দেওয়া, ধ্বংসের খবর আসতেই লাগল। উন্মত্ত জনতার হিংসা বাড়তেই লাগল এবং চারিদিকে হিংসার দাবানল ছড়িয়ে পড়ল। কেবল হিংসা উন্মাদনার রোমহর্ষক খবর।

মহাত্মা তখন দিল্লিতে ভীষণভাবে নিজেকে অসহায় মনে করছেন। সমস্ত বড় বড় নেতা আমলা সকলের সঙ্গে কথা বলছেন। জানতে চাইছেন কী তখন পরিস্থিতি।

সরজু বালা সেন
মৃণাল সেনের মা

পরিস্থিতি যখন আয়ত্তের বাইরে চলে যাচ্ছে, যখন চারিদিকে চরম বিশৃঙ্খলা, তখনও তিনি স্বভাবসিদ্ধ ধীর শান্ত। তখনও তিনি ধীরে ধীরে বলছেন, ‘আমি এখন চিনদেশে নেই। আমি দিল্লিতে। আমি আমার চোখ কান কিছুই হারাইনি। তোমরা যদি আমার নিজের দেখা ও শোনার উপলব্ধিকে, আমার বিশ্বাসকে অবিশ্বাস করো, আমি অবশ্যই তোমাদের কিছুই বোঝাতে পারব না, মানাতেও পারব না। তোমরাও আমাকে বোঝাতে পারবে না।’ মহাত্মা বুঝলেন যে তাঁর কাছে আর কোনও রাস্তা নেই, তাঁর সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র অনশন ব্যবহার করা ছাড়া। তিনি প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বললেন, ‘আমার অশান্ত মনতে শান্ত করতে হবে নিজেকে কষ্ট দিয়ে, নিজের সংগ্রাম দিয়ে। আশা করি আমি অনশন করলেই ওদের চোখ খুলবে। আসল সত্যকে ওরা জানতে পারবে।’

কয়েকদিনের মধ্যেই সবাই বুঝতে পারল যে আশ্চর্য জাদুমন্ত্রের মতো ঘটনা ঘটছে। কিন্তু অনশন করতে গিয়ে মহাত্মা দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন শারীরিকভাবে এবং সে দুর্বলতা বেড়েই চলছিল। তবুও রোজ তিনি প্রার্থনাসভা চালিয়ে যাচ্ছিলেন প্রতিটি বিকেলবেলায় সন্ধেবেলায়। সেখানে গীতা, কোরান, বাইবেল সবই পাঠ হতো। কিন্তু ৩০ জানুয়ারি, ১৯৪৮ তিনি হিংসারই বলি হলেন। স্তব্ধ হয়ে গেলেন চিরকালের জন্য।

আবার পণ্ডিত নেহরুর কণ্ঠস্বর রেডিয়োতে ভেসে উঠল স্বাধীনতালাভের ঠিক পাঁচ মাস বাদে। দুঃখে বিষাদে ভরা সেই কণ্ঠস্বর : “…The light has gone out of our lives and there is darkness everywhere. I do not know what to tell you and how to say it. Our beloved leader, Bapu, as we called him, the Father of the Nation, is no more…”।

তবুও মনুষ্য জীবন এবং একটা সরকার চলছিল। মানুষ খাচ্ছে দাচ্ছে, বেঁচে থাকছে, যুদ্ধ করছে, লড়াই করছে, ধ্বংস হচ্ছে, মরছে, আবার বাঁচছেও।

আমার বাবা-মায়েরা তখনও সেই ফরিদপুর শহরে বাস করছে। তাঁরা ভাবতেই পারেননি যে এ-বাসস্থান এ-ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে যেতে হবে। যেখানে দীর্ঘদিন বসবাস করার দরুন একটা মায়ার সংসার রয়ে গেল। দেখতে দেখতে কয়েকটা মাস চলে গেল, একটা বছর ঘুরে গেল। রোজই একটা-না-একটা সমস্যা তৈরি হতে লাগল। ক্রমে ক্রমে পরিস্থিতি ও সময় খারাপের দিকে চলে যেতে লাগল। শেষ পর্যন্ত বাড়ি জমি যা যা স্থাবর সম্পত্তি ছিল একদিন জলের দরে সবকিছু বিক্রি করে তাঁরা কলকাতাতে একেবারে বাস্তুহারার মতো এসে হাজির হলেন।
ফরিদপুর শহর থেকে চলে আসার সময় আমার বাবা সেই বাড়ির নতুন মালিককে বললেন, ‘একটা ছোট্ট অনুরোধ করছি। আমার ছোট মেয়ে রেবার একটি স্মৃতিসৌধ আছে পুকুরের ধারে। সে আমার পাঁচ বছর বয়সের সবার ছোট মেয়ে, জলে ডুবে মারা যায়। পারলে এ স্মৃতিসৌধকে রক্ষা কোরো।’

রেবা
মৃণাল সেনের বোন

রেবা আমাদের সব ভাইবোনেদের খুব কাছের ও আদরের বোন ছিল। আমাদের বড় পরিবারে সাত ভাই এবং পাঁচ বোন। আমি ভাইদের মধ্যে ষষ্ঠ আর রেবা বোনেদের মধ্যে সবার ছোট। কেন জানি না রেবাকে পাড়া-প্রতিবেশী সবাই খুব ভালবাসত। যতটা আমার মনে পড়ে সেই দুর্ঘটনার দিনটি ছিল একটি ছুটির দিন। আমরা তখন দুপুরবেলা ভাত খাচ্ছিলাম। রেবা সবার আগে খেয়ে উঠে পুরুকঘাটে চলে যায়। তখনও আমাদের খাওয়া শেষ হয়নি।

আমার পরিষ্কার মনে আছে যে আমাদের সেই পুরুকঘাটটি ভারী সুন্দরভাবে তৈরি, ঘাটের সিঁড়িগুলো বাঁশের, পুকুরের জলের দিকে নেমে গেছে। জলের ঠিক কয়েক ইঞ্চি ওপরে সিঁড়ির ধাপগুলো। সেই ধাপগুলো প্রায় পুকুরের নীচের এক-চতুর্থাংশ অংশ পর্যন্ত চলে গিয়েছে।

আমরা সবাই পুকুরের ওখানে বেড়াতে ভালবাসতাম। ওই সিঁড়ির দু’পাশে জলরাশি। আমরা ওই সিঁড়িতে বসে বসে দুটো পা জলের ওপর ঝুলিয়ে রাখতাম। রেবারও আমাদের মতো সেখানে যেত, বসত, পা দুটো ঝুলিয়ে জলের ওপর রেখে পা নাচাত। রেবা একেবারে পুকুরের সামনের ধাপটায় বসত এবং পা ঝুলিয়ে একটু সহজে, একটু আরামে বসে থাকত।

কিন্তু সেদিন ঠিক কী হয়েছিল কী ঘটনা ঘটেছিল, সেটা কেউ জানে না। সেই সময়ে পুকুরপাড়ে কেউ ছিল না। আমরা সবাই ধরে নিয়েছিলাম যে রেবা সেদিন বোধহয় পুকুরের ধারে একদম শেষ প্রান্তে চলে গিয়েছিল। সেখানে বসে পা দুটো ঝুলিয়ে রেখেছিল পুকুরের জলের ওপর। হঠাৎ সে বুঝতে-না-বুঝতেই পা ফসকে জলে পড়ে যায়। আমরা রেবাকে খোঁজাখুঁজি করছি, রেবা কোথায়, রেবা কোথায়! এ-বাড়ি ও-বাড়ি পাড়া-প্রতিবেশীদের ঘরে ঘরে খোঁজ করে যখন রেবাকে পাওয়া গেল না তখন আমার মেজদা, যে সাঁতার জানত, সঙ্গে সঙ্গে পুকুরে ঝাঁপ দিল। মুহূর্তের মধ্যে রেবাকে পুকুরের জলের তলা থেকে টেনে নিয়ে চলে এল। রেবার শরীরটা তখন ঠাণ্ডা।

রেবার মৃত্যুর কাহিনি সেই অঞ্চলে পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে গেল। পাড়ার সবাই এল কারণ তারা সবাই রেবাকে স্নেহ করত, ভালবাসত। আমার বড় ভাই শৈলেশ আমাদের সবার দাদা যে বড় শহরে থাকত, খবর পেয়ে চলে এল। দাদার সঙ্গে এলেন দাদার প্রাণের বন্ধু কবি জসীমউদদীন। রেবা জসীমউদদীনের কাছে প্রায় অমূল্য সম্পদের মতো। জসীমউদদীন যাঁকে আমরা জসীমদা বলতাম তিনি সমস্ত ঘটনা সবার কাছ থেকে শুনে সময় নষ্ট না করে সঙ্গে সঙ্গে চলে গেলেন সেই ঘাতক পুকুরঘাটে। তিনি সারাটা দিন ওই ঘাটে বসে রইলেন। তাঁকে চা খেতে বলা হলো, তিনি খেলেন না। সেই দুপুরবেলা তাঁকে ভাত ডাল তরকারি দেওয়া হলো। তিনি সামান্য কিছুও ছুঁয়ে দেখলেন না। প্রায় সন্ধে সন্ধে হয়ে এসেছে তখন জসীমদাকে আমার মা ঘাট থেকে ডেকে পাঠালেন। তারপর নিজেকে নিজেই প্রায় টেনে নিয়ে সেই ঘাটে গেলেন। জসীমদা মাকে জড়িয়ে ধরে শিশুর মতো কেঁদে উঠলেন। আমার মা ও জসীমদা কিছুক্ষণ চুপচাপ ঘাটে বসে রইলেন। তারপর জসীমদা নীরবতা ভেঙে মাকে বললেন রেবার গোপন কথা। অনেক গোপন কথা, যেসব জসীমদাই একমাত্র জানতেন। যেসব কথা জসীমদাকে রেবা বলেছিল প্রায় মাসখানেক আগে। রেবা জসীমদাকে বলেছিল একদিন সারা রাত জেগে রেবা দেখবে কী করে ভোরের ফুল ফোটে, কীভাবে কখন জলের ছোঁয়ায় ফুলের গায়ে নানান রং লাগে।

রেবা
জসীমদাকে
বলেছিল একদিন
সারা রাত জেগে রেবা
দেখবে কী করে ভোরের ফুল
ফোটে, কীভাবে কখন জলের
ছোঁয়ায় ফুলের গায়ে নানান রং লাগে

পরবর্তীকালে আমার মা রেবা সম্পর্কে অনেক গল্প বলেছিলেন আমাকে।

জসীমদার হৃদয়ের গোপন কোণে অনেক অনেক কবিতা গাঁথা ছিল, অনেক কবিতার লাইনও গাঁথা ছিল, যখন তিনি প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র ছিলেন। যখন তাঁর বয়স বাড়ল তখন তিনি একজন বিখ্যাত কবি হলেন, এমনকী রবীন্দ্রনাথের নজরেও পড়লেন। তাঁর একটি বিখ্যাত ধ্রুপদীকাব্যগীতি নকশিকাঁথার মাঠ একটি অসাধারণ গীতিনাট্য। জসীমউদদীনের কবিতা ও গান সবই গ্রামের কথা, গ্রামবাংলার কথা। সন্ধে হয়ে যাওয়ার পর জসীমদা পুকুরঘাট থেকে উঠে এসে আমাদের বাড়িতে এলেন। কিছুক্ষণ কাটালেন আমাদের সবার সঙ্গে।

জসীমউদদীন
কবি

উনি চলে গেলেন নিজের গ্রাম গোবিন্দপুরে যেখানে তাঁর বাবা থাকতেন। এ গ্রামটি আমাদের বাড়ি থেকে চার-পাঁচ মাইল দূরে। যাওয়ার আগে জসীমদা আমার মাকে একটি দীর্ঘ কবিতা দিয়ে গেলেন যেটি তিনি ঘাটে বসে বসে সেদিন অতক্ষণে লিখেছেন। জসীমদা মাকে বলে গেলেন ‘এ-কবিতাটিতে রেবার কথা আছে। এ কবিতাটি কখনই ছাপবেন না। এ কবিতাটি শুধু আপনার জন্য।’

আমার মা সযত্নে এ কবিতাটি নিজের হেফাজতে রেখে দিয়েছিলেন বহুবছর, ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত যতদিন মা বেঁচে ছিলেন। সযত্নে একটি থামে কবিতাটি রাখা ছিল।

মা যেদিন শ্মশানঘাটে গেলেন সেদিন আগুনের লেলিহান শিখায় মায়ের মৃতদেহের সঙ্গে এ কবিতাটিও পুড়ে ছারখার হয়ে গেল।

পরের কিস্তি পড়তে এ বাক্যে ক্লিক করুন

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
মাস্টার ফিল্মমেকার; ভারত । জন্ম : ১৪ মে ১৯২৩; ফরিদপুর, বাংলাদেশ । মৃত্যু : ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮; কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।। ফিচার ফিল্ম : রাত ভোর; নীল আকাশের নীচে; বাইশে শ্রাবণ; পুনশ্চ; অবশেষে; প্রতিনিধি; আকাশ কুসুম; মাটির মণীষা; ভুবন সোম; ইন্টারভিউ; এক আধুরি কাহানি; কলকাতা ৭১; পদাতিক; কোরাস; মৃগয়া; ওকা উরি কথা; পরশুরাম; একদিন প্রতিদিন; আকালের সন্ধানে; চালচিত্র; খারিজ; খণ্ডহর; জেনেসিস; একদিন আচানক; মহাপৃথিবী; অন্তরীণ; আমার ভুবন । শর্টফিল্ম : ইচ্ছাপূরণ; তসবির আপনি আপনি; অপরাজিত; কাভি দূর কাভি পাশ; সম্ভার; আয়না; রবিবার; আজকাল; দো বাহেনে; জিত; সালগিরা; শাল; আজনবি; দশ সাল্ল বাদ । ডকুমেন্টারি : মুভিং পারসপেকটিভস; ত্রিপুরা প্রসঙ্গ; সিটি লাইফ-- কলকাতা মাই এল দোরাদো; এন্ড দ্য শো গোজ অন

4 মন্তব্যগুলো

  1. […] সদ্যপ্রয়াত চলচ্চিত্র পরিচালক মৃণাল সেনের এই সাক্ষাৎকারটি ১৯৮২ সালে চেন্নাইতে […]

মন্তব্য লিখুন