সিনেমার পর্দায় কাব্য-রূপান্তর/ রুদ্র আরিফ

0
151
filmfree

লিখেছেন । রুদ্র আরিফ


আমার এ ছোট্ট রজনিতে, আহা
প্রণয়ে মেতেছে হাওয়া– বৃক্ষপাতার সাথে
আমার এ ছোট্ট রজনিতে, বিনাশের বেদনাগীতি
শোনো
শুনতে কি পাও তুমি আঁধারের প্রবাহ-গুঞ্জরণ?
আগন্তুকের মতো আমি থাকি চেয়ে এই পরম সুখের দিকে
এ যে আমার নিজ নৈরাশ্যে আসক্তি।
শুনতে কি পাও তুমি আঁধারের প্রবাহ-গুঞ্জরণ?
রাত্রির বুক চিড়ে ছুটে যাচ্ছে কিছু একটা
চন্দ্রিমা উতলা আর রক্তাভ লাল–
এ ছাদের ওপর
যাচ্ছে খণ্ডিত হয়ে– এক চিরন্তন ভয়ে
মেঘেরা যেন শোকার্তের মিছিলে
রয়েছে অপেক্ষায়– বর্ষণ-মুহূর্তের।
একটি মুহূর্ত
তারপর নয় কিছু আর
এ জানালার বাইরে রাত্রিটি চিরকম্পমান
আর, জগতের যত হাওয়া দাঁড়িয়েছে থমকে–
এ জানালার বাইরে।
অচেনা কী একটা– দেখছে– তোমাকে-আমাকে।
মাথা থেকে পায়ের পাতা অবধি হে সবুজ
রাখো তোমার হাত– কোনো জ্বলন্ত স্মৃতির মতো
আমার এ ভালোবাসা ভরা হাতে
দাও আদুরে পরশ– তোমার ঠোঁটের
আমার ভালোবাসা ভরা ঠোঁটে
যেন উষ্ণতায় আর্দ্র পারি হতে
এ হাওয়া যাবে নিয়ে বয়ে আমাদের!

• দ্য উইন্ড উইল ক্যারি আস/ফরুগ ফারুখজাদ

দ্য উইন্ড উইল ক্যারি আস আব্বাস কিয়ারোস্তামি

কালপ্রয়াত ইরানি কবি ও ফিল্মমেকার ফরুগ ফারুখজাদের [১৯৩৫-১৯৬৭] বিখ্যাত কবিতা দ্য উইন্ড উইল ক্যারি আস [‘এ হাওয়া যাবে নিয়ে বয়ে আমাদের’] জীবনের গভীর মর্মবোধে আচ্ছন্ন করেছিল সেদেশের সবচেয়ে ঋদ্ধ কবি ও ফিল্মমেকার আব্বাস কিয়ারোস্তামিকে [১৯৪০-২০১৬]। ফলে কবিতাটির শিরোনামেই মাস্টারপিস একটি সিনেমা বানিয়ে ফেলেছিলেন তিনি। বলাবাহুল্য, এত ছোট্ট একটি কবিতাকে দীর্ঘ এক ফিচার ফিল্মে রূপান্তর করা দৃশ্যত অলীক কল্পনার বিষয়; বরং কিয়ারোস্তামি গ্রহণ করেছিলেন কবিতাটির নির্যাস, তারপর একান্তই নিজস্ব ফিল্মিভাষায় করেছেন সেটির বিস্তরণ। একই প্রভাবের সাক্ষ্য আমরা দেখতে পাই রাশিয়ান মাস্টার ফিল্মমেকার আন্দ্রেই তারকোভস্কির [১৯৩২-১৯৮৬] কাজেও। কবি-পিতা আর্সেনি তারকোভস্কির [১৯০৭-১৯৮৯] কবিতা তিনি কখনো কোনো চরিত্রের মুখ দিয়ে, কখনো-বা ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ডে নিগূঢ় অর্থবহরূপে ছড়িয়ে রেখে গেছেন। কবিতার এমন পরোক্ষ প্রভাব দৃশ্যত বেশিরভাগ মাস্টারপিস সিনেমাগুলোতে সহসাই খুঁজে পাওয়া যায়। তবে বস্তুত কবিতার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত সিনেমার সংখ্যাও কম নয়।

প্রাচীন গ্রীসের মহাকবি হোমারের কিংবদন্তি দুই মহাকাব্য– ইলিয়াদ ও অডিসি অবলম্বনে নির্মিত সিনেমার সংখ্যা অনেক। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সমাদর পেয়েছে ১৯৫৬ সালে রবার্ট ওয়াইজ [১৯১৪-২০০৫] নির্মিত হেলেন অব ট্রয়। চিরপরিচিত ট্রোজান যুদ্ধ ঘিরে থাকা প্রেম, প্রবঞ্চনা, রক্ত, শক্তিমত্তা ইত্যকার নানা পৌরাণিক উপাদান নানা মহিমায় ফুটে আছে সিনেমাটিতে।

…সাধু ও শয়তানের
নিরন্তর দ্বন্দ্বের আবরণে
মনুষ্যত্বের প্রকৃত তাৎপর্যের
অনুসন্ধানের এক সুতীব্র
অনুধ্যান মুর্নাউ
ফুটিয়ে তুলেছেন
সিনেমার পর্দায়…

জার্মান মহাকবি জোহান ভনগাং ফন গ্যেটের [১৭৪৯-১৯৮২] মহাকাব্য ফাউস্ট অবলম্বনেও নির্মিত হয়েছে একাধিক সিনেমা। এ তালিকায় সবচেয়ে মর্যাদার আসনে এখনো জায়গা করে আছে ১৯২৬ সালে দেশটির মাস্টার ফিল্মমেকার এফ. ভি. মুর্নাউর [১৮৮৮-১৯৩১] বানানো একই শিরোনামের নির্বাক সিনেমাটি। সাধু ও শয়তানের নিরন্তর দ্বন্দ্বের আবরণে মনুষ্যত্বের প্রকৃত তাৎপর্যের অনুসন্ধানের এক সুতীব্র অনুধ্যান মুর্নাউ ফুটিয়ে তুলেছেন সিনেমার পর্দায়।

পান তাদৌসআন্দ্রে ভাইদা

অন্যদিকে, স্বদেশের জাতীয় ঐক্য ও স্বাধীনতার প্রশ্নে প্রভাবশালী দুই পরিবারের দ্বন্দ্বের ভেতর দিয়ে একটি জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয়ের অন্যতর মহিমা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ভেতর প্রতিফলিত করার স্বপ্নে পোল্যান্ডের মহাকবি ও দার্শনিক আদাম মিচকেভিচ [১৭৯৮-১৮৫৫] পান তাদৌস [Pan Tadeusz] নামে যে মহাকাব্যটি সৃষ্টি করে গেছেন, সেই ভূখণ্ডের সিনেমায় অগ্রগণ্য মাস্টার ফিল্মমেকার আন্দ্রে ভাইদা [১৯২৬-২০১৬] সেটি নিয়ে ১৯৯৯ সালে বানিয়েছেন একই শিরোনামে এক দুর্দান্ত সিনেমা। ১৮১০ দশকের শুরুর দিকে, রাশিয়ার তৎকালীন অঙ্গরাজ্য লিথুনিয়ার পোল-জাতিগোষ্ঠী ধরে নেয়, ফ্রান্সের মহাবীর নোপোলিয়ন যখন রাশিয়া আক্রমণ করবেন, তখন তারা তার সঙ্গে যোগ দেবে; কেননা, তাহলেই মিলবে স্বাধীনতা। কিন্তু এ অঙ্কে বাধ হয়ে দাঁড়ায় বিশ বছর আগে একটি পরিবারের প্রধানকর্তাকে আরেকটি পরিবারের লোকজন খুন করে ফেলার ফলে তৈরি হওয়া পুরনো সংঘাতটি।

সমুদ্রপথে বুড়ো নাবিক নানা লাঞ্ছনা ও নিপীড়নের শিকার হয়ে যখন জীবনের ওপর ক্ষুব্ধ খুব, প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগটি পেয়ে নিজের সঙ্গে এক অদ্ভুত বোঝাপড়া তৈরি করে নেয় সে। বুঝে নেয়, ক্ষমাই শ্রেষ্ঠ প্রতিশোধ! উনবিংশ শতকের কিংবদন্তি নাট্যকার ও কবি হেনরিক ইবসেনের [১৮২৮-১৯০৬] বিখ্যাত কবিতা অ্যা ম্যান দেয়ার ওয়াজ [Terje Vigen] অবলম্বনে একই শিরোনামে ১৯১৭ সালে নির্বাক সিনেমাটি নির্মাণ করেন সুইডিশ মাস্টার ফিল্মমেকার ভিক্তর সোয়েস্ত্রম [১৮৭৯-১৯৬০]।

অ্যা ম্যান দেয়ার ওয়াজভিক্তর সোয়েস্ত্রম

আমেরিকান বহুমাত্রিক সাহিত্যিক এডগার অ্যালান পো’র [১৮০৯-১৮৪৯] আখ্যানমূলক কবিতা দ্য রেভেন অবলম্বনে, ১৯৬৩ সালে একই শিরোনামে দুর্দান্ত এক সিনেমা বানিয়েছেন ‘দ্য পোপ অব পপ সিনেমা’খ্যাত আমেরিকান ইনডিপেনডেন্ট ফিল্মমেকার রজার করম্যান [১৯২৬-]। কমেডি ও হররের মিশ্রণে, পো-ধর্মী এক ফিল্মিভাষায় সমৃদ্ধ হয়ে আছে সিনেমাটি।

খ্যাতির তোয়াক্কা না করা
জনৈক মুষ্ঠিযোদ্ধা যখন
তাগড়া এক প্রতিদ্বন্দ্বীর
বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেল রিংয়ে,
জীবন ও মৃত্যুর মধ্যকার
সুতোটি তখন বেদম
ওড়ছে…

ক্যারিয়ারের পড়ন্তবেলায় এসে, একজীবনে ধীরে ধীরে অর্জন করা খ্যাতির তোয়াক্কা না করা জনৈক মুষ্ঠিযোদ্ধা যখন তাগড়া এক প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেল রিংয়ে, জীবন ও মৃত্যুর মধ্যকার সুতোটি তখন বেদম ওড়ছে! এমন জীবনগাথা নিয়ে আমেরিকান কবি জোসেফ মনকিউর মার্চের [১৮৯৯-১৯৭৭] দীর্ঘকবিতা দ্য সেট-আপ। ফিল্ম-নোয়্যা ধারায় এই কবিতাটিকে সিনেমার পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন অস্কারজয়ী আমেরিকান ফিল্মমেকার রবার্ট ওয়াইজ। দ্য সেট-আপ ফিল্মটি মুক্তি পেয়েছে ১৯৪৯ সালে।

অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিখ্যাত তিন কবির একজন– সি. জে. ডেনিস [১৮৭৬-১৯৩৮]। ১৯১৫ সালে প্রকাশিত তার দীর্ঘকবিতা বা কাব্যোপন্যাস দ্য সংস অব অ্যা সেন্টিমেন্টাল ব্লক, প্রথম বছরই নয়টি সংস্করণে ৬০ হাজার কপি বিক্রি হয়েছিল! এর চার বছর পর, কবিতাটি অবলম্বনে দ্য সেন্টিমেন্টাল ব্লক শিরোনামে তুমুল জনপ্রিয় নির্বাক সিনেমাটি নির্মাণ করেন সে দেশের প্রথমযুগের কিংবদন্তি ফিল্মমেকার রেমন্ড লংফোর্ড [১৮৭৮-১৯৫৯]। অস্ট্রেলিয়ান সিনে-ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাক সিনেমা, এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা সিনেমা হিসেবে বিবেচিত হয় এটি। বিল নামের এক ছন্নছাড়া লোক মদ খেয়ে ও জুয়া খেলে ওড়াতে থাকে জীবন! একদিন এক কারখানার এক রূপসী নারী শ্রমিকের প্রেমে পড়ে যায় সে। কিন্তু তার বদঅভ্যাস তাদের সম্পর্ককে নিয়ে যায় খাদের কিনারে। সেখান থেকে বিলের নিজেকে শুধরে নেওয়া, আর বিয়ে করে সুখি দাম্পত্যজীবনের পথে পা রাখা– এক কথায় এ হলো কাহিনি। নির্মাণ শৈলী, হাস্যরসাত্মক টাইটেল কার্ড ব্যবহার, দুর্দান্ত অভিনয়– সব মিলিয়ে তুমুল বাণিজ্যসফল হয়ে ওঠে সিনেমাটি।

হেলেন অব ট্রয়রবার্ট ওয়াইজ

গত শতাব্দির প্রথম তিন দশকের বাণিজ্য-সফল আমেরিকান ফিল্মমেকার ক্লারেন্স জি. বেজার [১৮৮০-১৯৬৪] ১৯২৪ সালে বানিয়েছেন নির্বাক সিনেমা– দ্য শুটিং অব ড্যান ম্যাকগ্রা। ব্রিটিশ-কানাডিয়ান কবি রবার্ট ডব্লিউ. সার্ভিসের [১৮৭৪-১৯৫৮] একই শিরোনামের আখ্যানমূলক কবিতাটি এটির ভিত্তি।

সাহিত্য-সমালোচক ও বোদ্ধাদের মধ্যে অনেকেরই বিবেচনায় রাশিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ কবি ও আধুনিক রুশ সাহিত্যের প্রতিষ্ঠাতা আলেক্সান্দার পুশকিন [১৭৯৯-১৮৩৭]। তার দ্য টেল অব জার সলতান কবিতা অবলম্বনে একই শিরোনামের অ্যানিমেশন ফিল্মটি ১৯৮৪ সালে যৌথভাবে নির্মাণ করেছেন রাশিয়ান অ্যানিমেশন ডিরেক্টর লেভ মিলচিন [১৯২০-১৯৮৭] ও ইভান ইভানভ-ভানো [১৯০০-১৯৮৭]।

…অ্যানিমেশনের মাধ্যমে
সিনেমার পর্দায় কবিতাকে
ফুটিয়ে তোলার একটি দুর্দান্ত
উদাহরণ তৈরি হয়েছে আমাদের
খুব কাছের ভূখণ্ড– থাইল্যান্ডে…

অ্যানিমেশনের মাধ্যমে সিনেমার পর্দায় কবিতাকে ফুটিয়ে তোলার একটি দুর্দান্ত উদাহরণ তৈরি হয়েছে আমাদের খুব কাছের ভূখণ্ড– থাইল্যান্ডে। দেশটির সবচেয়ে বিখ্যাত কবি সানথর্ন ফুর [১৭৮৬-১৮৫৫] লেখা ৩০ হাজার পঙ্ক্তির মহাকাব্য ফ্রা আফাই মানি ওরফে দ্য ব্যার্ড অব রাত্তানাকসিন অবলম্বনে ১৯৭৯ সালে পায়ুত এনগাওক্রাচাং [১৯২৯-২০১০] নির্মাণ করেছেন সিনেমা দ্য অ্যাডভেঞ্চার অব সুদসাকর্ন। এক মৎসকুমারী ও এক চারণকবি রাজপুত্রের সন্তান সুদসাকর্নকে জীবনের নানা বাঁকে হাতি, হাঙর ও ড্রাগন ঘোড়ার বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হতে হয় মর্মান্তিক লড়াইয়ে। তার বিজয়গাথা আঁকা আছে সিনেমাটিতে।

জাপানের হাইকু-কবিতা আর মাৎসুও বাশো [১৬৪৪-১৬৯৪]– নাম দুটি একাকার হয়ে আছে যেন! এই মহান কবি উইন্টার ডেজ [Fuyu no Hi] নামের এক হাইকু-সংগ্রহের সূচনাপর্বে লিখেছেন, “সর্বনাশা হাওয়া/ এই যে চিকুসাই/ যার মতো দেখতে আমি!’ আর এই হাইকু অবলম্বনে স্বদেশি ইনডিপেনডেন্ট ফিল্মমেকার, অ্যানিমেটর ও পাপেট ডিজাইনার কিহাচিরো কাওয়ামোতো [১৯২৫-২০১০] তৈরি করেছেন ৩৯ মিনিটের অ্যানিমেশন ফিল্ম– উইন্টার ডেজ

দ্য প্রফেটরজার অ্যালার্স

খলিল জিবরান [১৮৮৩-১৯৩১]। লেবাননের সবচেয়ে প্রভাববিস্তারী কবিদের অন্যতম। তার বিশ্বখ্যাত কাব্যগ্রন্থ দ্য প্রফেট অবলম্বনে একই শিরোনামে নির্মিত হয়েছে অ্যানিমেশন সিনেমা। আমেরিকান ফিল্মমেকার রজার অ্যালার্স [১৯৪৯-] ফিল্মটি বানিয়েছেন ২০১৪ সালে।

অন্যদিকে, কবিতা নিয়ে নির্মিত শর্টফিল্মের দুনিয়ায় সুনিপুণ উদাহরণ হয়ে আছে খনিশ্রমিকদের জীবনের মর্মান্তিক সত্যগাথা নিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফিল্মমেকার আলবের্তো কাভালকান্তির [১৮৯৭-১৯৮২] বানানো কয়েল ফেস। ১৯৩৫ সালে ১১ মিনিট সময়ব্যাপ্তির এ ফিল্মটি তিনি বানিয়েছেন ব্রিটিশ-আমেরিকান কবি ডব্লিউ. এইচ. অডেনের [১৯০৭-১৯৭৩] কবিতা অবলম্বনে। শুধু তাই নয়, ডকুফিল্মটিতে কবিকণ্ঠে কবিতাটির আবৃত্তিও ব্যবহার করেছেন এ ফিল্মমেকার।

এ ক্রমবর্ধমান দীর্ঘতালিকায় ডুবে যেতে যেতে মনে পড়ে, আন্দ্রেই তারকোভস্কি তার স্কাল্পটিং ইন টাইম গ্রন্থে লিখেছেন, “কবিতা হলো জগত সম্পর্কে একটি অবগতি, বাস্তবতার সঙ্গে বোঝাপড়া করার একটি সবিশেষ রাস্তা।” আর, যে কোনো মাস্টারপিস সিনেমায় অনিন্দ্যসুন্দর কাব্যিক ইমেজ দেখতে দেখতে দর্শক হিসেবে আমরা যেখানে হয়ে ওঠি ঘোরগ্রস্ত, সেখানে স্বয়ং কবিতা অবলম্বনে নির্মিত সিনেমার প্রতি আমাদের আগ্রহ জন্মানো তো স্বাভাবিক ঘটনাই!


প্রথম প্রকাশ । সাহিত্য সাময়িকী । ইত্তেফাক । জাতীয় দৈনিক, ঢাকা ।। ৫ জানুয়ারি ২০১৮
Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
সম্পাদক : ফিল্মফ্রি । ঢাকা, বাংলাদেশ।। সিনেমার বই [সম্পাদনা/অনুবাদ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [৪ খণ্ড : ইরান, লাতিন, আফ্রিকা, কোরিয়া]; ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো : প্রেম ও দেহগ্রস্ত ফিল্মমেকার; তারকোভস্কির ডায়েরি; স্মৃতির তারকোভস্কি; হিচকক-ত্রুফো কথোপকথন; আন্তোনিওনির সিনে-জগত; কিয়ারোস্তামির সিনে-রাস্তা; সিনেঅলা [৩ খণ্ড] ।। কবিতার বই : ওপেন এয়ার কনসার্টের কবিতা; র‍্যাম্পমডেলের বাথটাবে অন্ধ কচ্ছপ; হাড়ের গ্যারেজ ।। মিউজিকের বই [অনুবাদ] : আমার জন লেনন [মূল : সিনথিয়া লেনন]

মন্তব্য লিখুন