ডুবসাঁতার ও অন্যতর আলোর অপেরা/ বিজয় আহমেদ

3
242

লিখেছেন বিজয় আহমেদ


ডুবসাঁতার
In Too Deep
স্ক্রিনপ্লে ও ফিল্মমেকার । নূরুল আলম আতিক
কাহিনি । মাতিয়া বানু শুকু
প্রডিউসার । ফরিদুর রেজা সাগর; ইবনে হাসান খান
সিনেমাটগ্রাফার । রাশেদ জামান
মিউজিক । ভিক্টর দাস; অনম বিশ্বাস; পিন্টু ঘোষ
এডিটর । মাকসুদ হোসেন; সামীর আহমেদ; আলী নাকির সানি
অভিনয় [চরিত্র] । জয়া আহসান [রেনুকা রহমান]; অশোক ব্যাপারী [রোকন]; শাহরিয়ার [ইমরান]; শাহরিয়ার শুভ [রেহান]; ওয়াহিদা মল্লিক জলি [মা]; শ্রাবস্তী তিন্নি [পুনম]; দেবাংশু হোর [ভাতচোর]
ফরম্যাট । ডিজিটাল ফিচার ফিল্ম
রঙ । রঙিন
রানিংটাইম । ৯০ মিনিট
ভাষা । বাংলা
দেশ । বাংলাদেশ
মুক্তি । ১৬ অক্টোবর ২০১০


ডুবসাঁতার । শৈশব-স্বপ্নে রেণু

সিনেমায় কী দেখতে চাই আমরা? জীবন নাকি অন্যকিছু। আর যদি জীবন দেখতে চাই, সেটা তবে কার জীবন? অন্যের, না নিজের? যদি নিজের জীবন হয়! বিপত্তিটা শুরু হয় তখনই । কেননা আধপেট খেয়ে তৃপ্ত হবার জীবনটাকে তো সারাটা জীবন কেবল লুকোতেই চেয়েছি আমরা? আর যদি কোনো সিনেমায় আমাদের, বিশেষত মধ্যবিত্ত বা নিম্নমধ্যবিত্তের বেঁচে থাকা, হাসি-কান্না, ঘৃণা-ভাব-ভালোবাসা ও প্রতিটা দিনের সংগ্রাম ও নোংরামি উঠে আসে, তখন বিষয়টি নিশ্চয়ই আরামদায়ক কোনো অভিজ্ঞতা হয়ে উঠে না?

সেই অস্বস্তিকর কাজটিই করেছেন নূরুল আলম আতিক, তাঁর ডুবসাঁতার সিনেমায়। তিনি বিষয় হিসেবে বেছে নিয়েছেন, নিজেদের জীবন; আর এমন একটি পরিবারের মধ্য দিয়ে গল্পটি বলেছেন, যে পরিবারে প্রতিদিন সকাল মানেই, আলুভাজির সাথে পরোটা, এবং এক কাপ লাল চা। আর মায়ের সাথে সময়ের তাড়া খেয়ে ফেরা এক উন্মূল তরুণের অশ্লীল ঝগড়া। শুধু তাই নয়, সেই পরিবারে আরো আছেন, স্বামীর ঘর করতে না পারা এক মেয়ে রেণু। আর আছেন জন্মান্ধ এক বড় ভাই। জানা যায়, পরিবারের বাবাটি অনেক আগেই এই সংসারের জোয়াল বইতে বইতে এ পৃথিবীতে ছেড়েছেন। ফলে, সংসারটি টেনে নেবার পুরো দায়িত্বটি যেন রেণুর । আর রেণুও, এই সমাজের যে কোনো রেণুর মতোই, বিষয়টি মেনেই নিয়েছে যেন। ফলে সিনেমার প্রথমে তাকে দেখি আমরা আবেগহীন এক সাধারণ কর্মজীবী নারী হিসেবেই, যে ৫ টাকা বাঁচাবার জন্যে, তরকারী ওয়ালার সাথে দুটো বেশি কথা খরচ করতেও রাজি থাকে। আর এ কারণেই রেণুুুকে আমরা কল্পনা করি, তার শৈশবে ভুল করে রেললাইনের উপর উঠে যাওয়া হাঁসটির ভূমিকায়! এবং আমরা বিশ্বাস করি, পরিবারের সকল আবদার মেটাবার পর, যে রেণু থাকে, সে একটা হাঁসই; মানুষ নয়

ডুবসাঁতার । রেণু যেন হাঁস!

আর আমাদের কাছে হাঁসে রূপান্তরিত হওয়া রেণু, বহুবিধ ঝড়-জল ও সংকটের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে বারাবার আশ্রয় খোঁজে অন্ধ বড় ভাই ও মহান শৈশবের কাছে। যেখানে রেণু মুহূর্তেই উতলা হয়ে হারায়, মুখ গুঁজে দেয়, আর লাল-নীল স্মৃতির মধ্যে একটুক্ষণের জন্যে হলেও পায় আশ্রয়। ফলে আমরা দেখি, শৈশবের মতোই, অন্ধ-ভাইয়ের সাথেও অদ্ভূত একটা সম্পর্ক তৈরী হয় তার, এ জগতের তীব্র মায়া ও ভালোবাসার সুগন্ধ ছড়িয়ে। যেখানে দেখি অন্ধ ভাইটির শেভ করে দেয়া-সহ, চুল আঁচড়ে দেবার বিষয়গুলোই খূব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে এ সিনেমায়। আর পাশাপাশি অজস্র নাই-নাই ও প্রবল অক্ষমতার মাঝেও, মা এক ভাত-চোরের জন্যে অপেক্ষা করেন মমতার ডালি ছড়িয়ে। আর এইসব দৃশ্য দেখে বুঝতে পারি, এ সিনেমায় নূরুল আলম আতিক এমনি-এমনি ছেড়ে দিবেন না জীবনটাকে। একে ভাঙবেন পুরোপুরি, আবার গড়বেনও।

তাই ঘটেও বটে। ফলে দেখি হঠাৎ করেই সমাজ ও সংসারকে থোরাই কেয়ার করা ইমরানের আবির্ভাব ঘটে, রেণুর জীবনে। আর এক্ষণে আমরা বুঝতে পারি, খেলাটা জটিল হয়ে যাবে। এত সরল থাকবে না। দাবার বোর্ডে মুখোমুখি দুটি ঘোড়াও মাঠে নামবে এবার । একটি ঘোড়ার নাম হবে সমাজ-সংসার। অন্য ঘোড়াটির নাম হবে প্রেম। এবং তাদের মধ্যে শুরু হবে তীব্র অন্তর্ঘাত। তা শুরুও হয়। ফলে দেখি, যে রেণু ডুবেছিলো একটি পরিবারের আশ্রয় হয়ে ওটার স্বপ্নে। যে চেয়েছিলো, দুই বছরের ভিতর পাল্টে দিতে পরিাবারের চেহারাটি, সে নাই হয়ে গেছে। সে আর ডিভোর্সি ও রঙহীন কোনো সাদা ও কালোয় গড়া রেণুু নয়। এ রেণুু উড়তে চায়। এ রেণুু অদ্ভূত আনন্দে মাতাল, যে তার মানসিক ও শারীরিক প্রয়োজনে সাড়া দিতে জানে। এবং রেণুুর এই আকস্মিক পরিবর্তনে সাবধানি মায়ের চোখে যে অনিশ্চিয়তা খেলা করে, তা কী কেবলই সন্তানের অমঙ্গল চিন্তায়, নাকি সেখানে পরিবারটির অবলম্বনহীন হয়ে ওঠাটার শঙ্কাটাও থাকে, এ নিয়েও আমাদের ভাবাতে চায় সিনেমাটি । ভাবি, আর বুঝতে পারি, এই এক চরম অশ্লীল বিষয় আমাদের মধ্যবিত্তের জীবনে, যেখানে ব্যক্তির কোনো জীবন নেই। যেখানে ব্যাক্তি মানেই সমষ্টির অংশ। ফলে সমষ্টির প্রয়োজনেই সাড়া দিতে হয় তাকে।

ডুবসাঁতার । রেণু ও ইমরান

কিন্তু রেণু এই সমষ্টির অংশ হয়েও যখন নিজের ব্যক্তিটিকে আর ঠকাতে চায় না, তখনই টালমাটাল হয়ে উঠে একটি পরিবার। ফলে দেখি, বিবিধ সংকট একটি পরিবারকে চারদিক থেকে ঝাপটে ধরে। আর সংকটের আবর্তে পড়ে যাওয়া মানুষগুলোর নিরুপায় মুখ ভেসে উঠে পর্দায়। দেখি অন্ধ ভাইটি অপমানিত হয়, পাড়ার মাস্তানের কাছে। এবং রাতে বাড়ি ফেরা নিয়ে ছোট ভাইটিও রেণুকে আক্রমন করে বসে। তবে এই সংকটেরও সমাপ্তি আসে, ইমরানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। কিন্তু এ পর্যায়ে এসে দেখা যায়, একটা সংকট থেকে আরেকটা সংকট কী ভাবে চলে আসে। এইবার রেণুর সামনে এসে দাঁড়ায়, ভ্রূণের পিতৃ-পরিচয়ের প্রশ্ন। তবে এই সংকটের ভিতরে থেকেও মেয়েটি যেনো উঠে দাঁড়াতে চায়। নিজের জেগে ওঠার মুহূর্তের চিহ্নটুকোকে পৃথিবীতে টেনে আনতে চায়, অসীম সাহসে। অথচ তার সামনে পুরো একটি পৃথিবী, মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। কিন্তু রেণুর ভিতরে যে আবহমান মা ও প্রেমিকা, সে এটা মানতে রাজি হয় না। ফলে সে সন্তানটিকে নিয়ে আসতে চায় এই পৃথিবীর আলো হাওয়াময় বারান্দায়। কিন্তু তার এই স্বপ্নও সত্যি হয়ে উঠে না। রাণুর সর্বশেষ আশ্রয়টুকো, মানে তার রক্তে তিলে তিলে বড় হতে থাকা ভ্রূণটাও নষ্ট হয়ে যায় একদিন। আর সিনেমার এ পর্যায়ে পরিচয়হীন একটি ভ্রূণের মৃত্যুতে, আমরাও যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচি, একটু নিষ্কৃতি পাই।

আর নিষ্কৃতির পর, রেণু তখন আবারো যে কোনো রেণু। সাদা ও কালোয় গড়া নিয়তিতাড়িত এক মানুষ কেবল। যার কোনো স্বপ্ন নেই। আশ্রয় নেই। কোনো আশ্রয় ও স্বপ্ন না থাকলেও, কেবল থাকে তার প্রিয়তম শৈশব, ও অতিচেনা এক দীর্ঘকায় রেললাইন; আর এ কারণেই, শেষ দৃশ্যে রেণু তার খুব পরিচিত রেল লাইণে এসে দাঁড়ায় আবার। পায়ে কমদামি স্যান্ডেল, ও কাঁধে ব্যাগ ঝুলিয়ে। খুব পরাজিত এক মানুষ যেন। যে জানে পথ যেহেতু আছে, তখন গন্তব্য একটা থাকবেই। কিন্তু সেই গন্তব্যও যেন পরিষ্কার নয়; কুয়াশায় ঘেরা। ফলে অজস্র মানুষের মত, গন্তব্য না জেনেই, আবারো একটি নতুন দিনের শুরু হয় রেণুর। যে দিনে কেবলে বয়ে যাওয়াই হয়, কিন্তু গন্তব্য মিলে না মানুষের।

ডুবসাঁতার । রেণুর ছোটভাই

হ্যাঁ, এভাবেই আমার আপনার কোনো কিছুই না পাবার জীবনে, বেদম হাহাকার ছড়িয়ে দিয়ে, দূর্ভাগ্যপীড়িত মধ্যবিত্তের জীবনটাকে নির্মোহভাবে তুলে ধরে, শেষ হয়ে যায় সিনেমাটা। আর আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে অন্ধ বড় ভাইটিকে, যে ফুল ভেবে সাপের লেজ ধরে টান মেরেছিল। আর যে ব্রেইলে ব্রেইলে ডিরেক্টরের হাত ধরে লিখে যাচ্ছিল পুরোটা সিনেমা, যার নাম আলোর অপেরা?

তবে সিনেমাটা দেখার পর মনে হল, অন্ধ-ভাই ও বোনের সম্পর্কটি আরো বিস্তৃতি পেলে ভালোলাগত। ভাবি, পুরো সিনেমাটাই যদি এই সম্পর্ক বিনির্মাণ করেই শেষ হতো, খারাপ হতো না। তবে তিন্নি অভিনিত চরিত্রটিই একমাত্র দূর্বল ও অপ্রয়োজনীয় চরিত্র বলে মনে হয়েছে পুরোটা সিনেমায়। এই চরিত্রটি ডুবসাঁতার-এ না থাকলেও হতো। তবে দৃশ্য নির্মাণে অথবা পরিস্থিতি তৈরীতে যে নুরুল আলম আতিক ঈর্ষণীয় ক্ষমতার অধিকারী– তা আবারো মানতে হলো, মস্তক নত করেই। বিশেষ করে, অন্ধ ভাইয়েরর সাথে, দাবা খেলায় মত্ত থাকা অবস্থায়, রেণুর খুব সাধারণ মা যখন ইমরানের পাশে এসে বসেন। জিজ্ঞেস করেন, ইমরান কী করে? বেতনের টাকায় চলে কিনা? পরিবারে কে কে আছে? শুধু তাই নয়, আরো জিজ্ঞেস করে, এত সুন্দর চেহারাটা চুল দিয়া ঢাইকা রাখো ক্যান? ঐ মুহূর্তে একজন চিরায়ত মায়ের যে অবাক আকুতি, এবং সাথে উন্নাসিক উচ্চবংশীয় এক ছেলের কাছে সেই আকুতি প্রত্যাখ্যাত হবার পর যে বিষাদ মুহূর্তটি তৈরি করেছেন নুরুল আলম আতিক, তা অসাধারণ এক কথায়। শুধু তাই নয়, চলন্ত রেলের বগির তলে পড়ে যাওয়া হাঁসটির বেঁচে থাকার জন্যে যে সংগ্রাম, আর সেই দৃশ্যের যে পোয়েটিক ক্ষমতা, তা আমাদের সংগ্রামমুখর জীবনে অনুপ্রেরণার কারণ হয়েই থাকবে বোধ করি।

ডুবসাঁতার । তিন্নি অভিনীত চরিত্রটি না থাকলেও হতো!

সিনেমাটা দেখতে দেখতে মনে হয়েছে, কবিতাকে যদি সর্বোচ্চ ইমেজের জায়গা বলে ধরে নেয়া হয়, তাহলে, ডুবসাঁতার-এর প্রতিটা দৃশ্য, অজস্র কবিতাকে ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে। আর এ সিনেমায় নুরুল আলম আতিকের গল্প বলার ভঙ্গিটাও অদ্ভূত পোয়েটিক। একটা দৃশ্য থেকে আরেকটা দৃশ্যে যেতে যেতে মনে হয়েছে কেবল যেন, কবিতার শরীর হতে, একেকটা ইমেজ খসে পড়ছে চোখের সামনে। আর বারবার মনে হয়েছে, একই সাথে রুঢ় বাস্তব এবং কবিতা ও পেইন্টিংসের জটিলতাকে ধারণ করে সিনেমাটি নিজের জন্যেই আলাদা একটা আইডেনটিটি তৈরি করতে পেরেছে; আর এই আইডেনটিটিই ল্যাটিন আমেরিকান ফিল্মমেকার কার্লোস রেগাদাস এর একটি কথাকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “ফিল্মের মূল বিষয় হল পর্যবেক্ষণ। যদি পর্যবেক্ষণ না করেন, তাহলে ফিল্মটা মিস করবেন আপনি। আর এ জন্যেই আমি পপকর্ন খেতে খেতে ফিল্ম দেখা পছন্দ করি না। কারণ যখন পপকর্ন মুখে তোলার জন্য আপনি বক্সের দিকে তাকাবেন, তখন হয়ত এমন কিছু মিস করে ফেলবেন– যা আপনাকে ফিল্মটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ বুঝতে সাহায্য করত।’ [সূত্র: ফিল্মমেকারের ভাষা, পর্ব: লাতিন আমেরিকা , প্রকাশক– ঐতিহ্য ] । হ্যাঁ, এই ফিল্মটি দেখতে দেখতে মনে হয়েছে, এটিও আসলে পপকর্ন খেতে খেতে দেখার মতো সিনেমা নয় মোটেও। এমনকি এর অন্তর্গত বিষাদ, জটিলতা, আবেগ ও অনুভবকে বুঝতে হলে, পূর্ণ মনোযোগ নিয়েই এই সিনেমার কাছে যেতে হবে আপনাকে।

এবার আসি কাস্টদের কাছে। রেণু চরিত্রে জয়া আহসান, রোকন চরিত্রে অশোক ব্যাপারী, মা চরিত্রে ওয়াহিদা মল্লি­ক জলি, ও ইমরান চরিত্রে শেহজাদ শাহরিয়ারের অভিনয়, যেন বাস্তব কে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রণোদনায় উদ্ভাসিত ছিল। বিশেষ করে জীবনের এত কাছাকাছি ও সাধারণ একটা চরিত্রে, জয়ার যে উপস্থাপনা, তা বিরল বলে মনে হয়েছে। এ জন্যে স্যালুট রইল তাঁর প্রতি। আর জয়া ও তার অন্ধ বড় ভাইয়ের শৈশবের চরিত্রে যে ছেলে ও মেয়েটি অভিনয় করেছে, তাদের অভিনয় হয়েছে অদ্ভুত সুন্দর ও যথার্থ ।

আর এভাবেই, নুরুল আলম আতিকের ক্যারিশমায় যে ডুবসাঁতার রচিত এই দেশে, তা অনেকাংশেই নতুন এক সিনেমাই হয়ে উঠে। এবং বাংলাদেশি সিনেমার জন্য অন্যতর এক আলোময় যাত্রার কথাই ইঙ্গিত করে যেন। তা হতে পারে জীবনের অনুভূতি প্রকাশের মুন্সিয়ানায়। অথবা জীবনের বিচিত্র বিষয় উপস্থাপনের সাহসে। কিংবা গল্প বলার ভঙ্গীতে। ঠাস বুননে। অথবা রাশেদ জামান ও তাঁর ক্যামেরার অসাধারণ কাজে, সঙ্গীত, লাইট, ও পোশাকের স্মার্টনেসে।

Print Friendly, PDF & Email
শেয়ার
কবি; সিনে-লেখক । বাংলাদেশ ।। সম্পাদিত ওয়েবজিন : লাল জিপের ডায়েরি ।। কাব্যগ্রন্থ : সার্কাস তাঁবুর গান । মুচকি হাসির কবিতা । কমিকস, ক্যামেরা, ট্রাভেলগ ইত্যাদি । শস্য ও পশুপালনের স্মৃতি ।। সিনে-গ্রন্থ [যৌথ সম্পাদনা ] : ফিল্মমেকারের ভাষা [ইরান পর্ব] । ফিল্মমেকারের ভাষা [লাতিন পর্ব] । ফিল্মমেকারের ভাষা [আফ্রিকা পর্ব] । ফিল্মমেকারের ভাষা [কোরিয়া পর্ব] ।। কিশোর উপন্যাস : বাবলুর অদ্ভুত সাইকেল ।। কিশোর কবিতার বই : লাল মোরগের ঝুঁটি

3 মন্তব্যগুলো

মন্তব্য লিখুন